২১ মার্চ ২০২৬

ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময়ে আখতারুজ্জামান বাবুর কথায় সাহস পেয়েছিলাম: নওফেল

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

আমার রাজনৈতিক জীবন অবশ্যই দীর্ঘ নয়। এই ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে বাবু চাচার স্নেহের পরশ আমি পেয়েছি। ১/১১ এর পরে যখন আমার বাবা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন, প্রথম পর্যায়ে আমি ও আমার ছোট ভাই তখন লন্ডনে ছিলাম।

হঠাৎ একদিন সেখানকার সুপরিচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার মনোয়ার বললেন, তোমার সাথে বাবু ভাই দেখা করতে চান। তখন আমি বাবু ভাইয়ের বাসায় গিয়েছি। তিনি আমাকে অভয় দিয়ে বলেছিলেন, এখন যে দুঃসময় দেখছো, এরচেয়ে কঠিন সময় আমরা পার করে এসেছি। এরচেয়েও কঠিন দুঃসময় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উপর দিয়ে গেছে। এগুলো কিছুই না। যারা ক্ষমতায় এসেছে, বসেছে, তারা বেশীদিন টিকতে পারবে না।

সেদিন তাঁর কথায় আমি আশ্বস্ত হয়েছিলাম, সাহস পেয়েছিলাম। তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলেছিলেন, তোমরা এখানে আছো, তোমাদের কোনো আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন হলে অবশ্যই আমাকে জানাবে। তাঁর নাম্বার আমাকে দিয়েছিলেন।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর কেবি কনভেনশন হলে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিউদ্দিনপুত্র ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, এই যে দলের দুঃসময়ে যখন মানুষ সাহস হারিয়ে ফেলে, যখন আস্থার সংকটে আমাদের অনেক বড় বড় নেতারা ভুগেছিলেন। কিন্তু জননেতা আখতারুজ্জামান বাবু বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা কখনো হারাননি। ’৭৫ পরবর্তী অনেকে ক্ষমতার উচ্ছ্বিষ্টের লোভে দল ছেড়ে নানান জায়গায় গিয়েছেন, কিন্তু জননেতা আখতারুজ্জামান বাবু আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন। আজকে আওয়ামী লীগ মহীরুহ হয়ে উঠার পেছনে জননেতা আখতারুজ্জামান বাবুর মত নেতাদের ভূমিকা রয়েছে। তাদের কারণে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মত রাষ্ট্র ক্ষমতায়।

স্মরণসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বাবু-পুত্র ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান প্রমুখ।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন