কক্সবাজার প্রতিনিধি »
কক্সবাজার-৩৪ বিজিবির সাথে গোলাগুলিতে দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। নিহতরা ইয়াবা কারবারি বলে ধারণা বিজিবির।
রোববার (১৭ নভেম্বর) ভোরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তের তুমব্রুর চম্পাকাটা এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ গোলাগুলির তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
স্থানীয়দের সনাক্তমতে, নিহতরা উখিয়ার কুতুপালং শিবির-১, ব্লক-বি’র মোঃ হাসিম আলীর ছেলে মোঃ ইয়াছিন (৩০) ও একই শিবিরের ব্লক-ডি/৪ এর বাসিন্দা মোঃ আবুল কালামের ছেলে মো. হোসেন আলী (২০)। তারা দুজনই গত ১১ নভেম্বর বাইশফাঁড়ী এলাকায় বিজিবি টহল দলের উপর গুলি বর্ষণের ঘটনায় এজাহারভূক্ত ৪নং এবং ৫নং পলাতক আসামী।
বিজিবির অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ বলেন, চম্পাকাটা সীমান্তে টহল দেয়ার সময় ১০-১২ জনের একটি দলকে থামতে বললে তারা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালালে পিছু হটে তারা। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে এসব মাদককারবারিদের মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল হতে একটি ওয়ান শুটারগান (সচল), ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ও ৪০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে, কুতুপালং শিবিরে অবস্থানরত কয়েকটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ইয়াবা ব্যবসায়ীরা ইয়াবা চোরাচালান করছে। পালংখালী ও বালুখালী এলাকায় বিজিবি’র কঠোর অভিযান পরিচালনার কারণে বর্তমানে তারা ঘুমধুম ইউনিয়নের দূর্গম পাহাড়ী এলাকা দিয়ে ইয়াবা চোরাচালান করার চেষ্টা করছে। তা প্রতিহতের চেষ্টা চালাতে গিয়ে তাদেরিআক্রমণের শিকার হচ্ছে বিজিবি।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ












