জসিম উদ্দিন জয়নাল »
দীর্ঘসাত বছর পরে অনুষ্ঠিদ হতেযাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের বহুল প্রত্যাশিত ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল। আগামী ২৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সম্মেলকে ঘিরে উৎসবের আমেজ খাগড়াছড়ি নেতাকর্মীদের মাঝে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য পদে কারা আসছেন সেই আলোচনা চলছে চায়ের টেবিল থেকে হাট-বাজার সব জায়গায়। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান ব্যানার, পোস্টারে চেয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক প্রচার।
এবারে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি পদে আগ্রহী বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পানছড়ি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সমির দত্ত চাকমা, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. রইছ উদ্দিন।
সাধারণ সম্পাদক পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মনির খাঁন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জব্বার, বর্তমান শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মো. দিদারুল আলম, মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র মো. শামসুল আলম এবং দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কাশেমের নাম শোনা যাচ্ছে।
খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে সর্বশেষ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়। এরপর সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিভিন্ন কোন্দলের কারণে সম্মেলন হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি, মানিকছড়ি, গুইমারা, দীঘিনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা রামগড়, লক্ষিছড়িসহ সব ক’টি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনের জন্য চারটি স্থান নির্ধারণ করা হলেও নিশ্চিত করা হয়নি একটিও। খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ ও খাগড়াছড়ি আউটার স্টেডিয়ামের যেকোনো একটিকে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীমসহ কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। দুপুরে জেলার প্রায় সাড়ে তিন শ’ কাউন্সিলরের ভোটের মাধ্যমেবা মতামতের ভিত্তিতে জেলা আওয়ামীলীগের কাণ্ডারি নির্বাচিত করবেন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ












