বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর পাহাড়তলী সিগন্যাল কলোনি, ইন্জিনিয়ার কলোনি ও তার আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে রেলওয়ের জায়গার উপর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় প্রায় ৪ একর জমি উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২০ নভেম্বর) সকাল ১০ টা থেকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান রুবেল।
মাসুদুর রহমান জানান, আজকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ৪ একর জমি উদ্ধার করা হয়েছে।
রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মাহাবুবুর করিম বাংলাধারাকে জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নগরীর পাহাড়তলী সিগন্যাল কলোনি, ইন্জিনিয়ার কলোনি ও তার আশপাশ এলাকার অবৈধ জায়গা উদ্ধার ও বাসা দখল মুক্ত করার অভিযান পরিচালনা হবে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে দখলকৃত বাসাও সিলগালা করে দিচ্ছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
গত সোমবার (১৮ নভেম্বর) নগরীর আমবাগান, পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশন গ্যাং কলোনি পাওয়ার হাউজ এলাকাসহ বিভিন্ন কোয়ার্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি এসব জায়গা নিয়ে বাণিজ্য করে আসছে একটি মহল। কতিপয় রেলওয়ে কর্মচারী কাগজে কলমে বাসা খালি দেখিয়ে অবৈধভাবে বাসা ভাড়া দিয়ে কামিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা, করছে সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ। রেলওয়ের বিভিন্ন খালি জায়গা বেঁচা-কেনার অভিযোগও উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এর আগে ২ নভেম্বর নগরীর খুলশী থানার মাস্টারলেন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় অবধৈভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযানের মাইকিং করতে গিয়ে হামলার শিকারও হয়েছেন দু’জন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজি অটোরিকশায় বসে মাইকে মাস্টারলেন এলাকায় রেলওয়ের জায়গায় অবৈধভাবে বসবাসকারীদের সরে যেতে অনুরোধ করেছিলেন রেলওয়ের খালাসি ইকবাল হোসেন ও জামাল উদ্দীন। এই এলাকার অগ্রদূত ক্লাবের সামনে পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত সিএনজি অটোরিকশার ওপর লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমণ চালায়। এ সময় সিএনজি অটোরিকশায় থাকা রেলওয়ের খালাসি ইকবাল হোসেন ও জামাল উদ্দীন দুইজনই আহত হন।
এ ব্যাপারে ইকবাল হোসেন বাদি হয়ে সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে টমাস, বাহার, হৃদয় ও অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে খুলশী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/ইরা












