বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরের জন্য কল্যাণকর, অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান মেয়র।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্দরকিল্লার কেবি আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে চসিকের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
নির্বাচনী ইশতেহার মাথায় রেখে সত্যিকারের গ্রিন, ক্লিন সিটি তথা আধুনিক নগরের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন বলে জানিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
অপরিকল্পিত নগরায়ণের কুফল নগরবাসী ভোগ করছেন জানিয়ে মেয়র বলেন, জাইকার অর্থায়ন ও ডিজাইনে হচ্ছে পোর্ট কানেকটিং ও এক্সেস রোডের কাজ। জাইকা নিজস্ব স্টাইলে কাজ করে। যতক্ষণ কাজ চলে জাইকার লোক থাকে। পোর্ট কানেকটিং সড়কের কাজ শেষ করতে আরও সময় লাগবে।
মেয়র জানান, নিমতলা থেকে অলংকার পর্যন্ত ৬ দশমিক ২ কিমি পোর্ট কানেকটিং সড়ক। এক্সেস রোডের কাজে এলইডি লাইটিং অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আরাকান সড়কের কাজ ১২টি লটে চলমান আছে। কম সময়ে ডিসেম্বরের মধ্যেছ কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। নাজুক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিমানবন্দর সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প নিয়েছি।
তিনি বলেন, এখানে বন্দরের জমি লিজ নিয়ে অনেক জ্বালানি স্থাপনা ও তৈলাধার গড়ে তোলা হয়েছে। যা সরানো কঠিন কাজ। সিমেন্ট ক্রসিং পর্যন্ত দুই পাশে ড্রেন তৈরি করা হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুম কাজ করার উপযুক্ত সময়। এ সময়টা কাজে লাগাতে সচেষ্ট আমরা। তিনি বলেন, নিউমার্কেট মোড়ে হকাররা ক্রেতা পাচ্ছেন বলে বসছে। হকার নেতাদের সঙ্গে ১০০ ঘণ্টা সভা করেছি। পুলিশের অভাবে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট সব সময় অভিযান চালাতে পারেন না।
এ সময় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, মেয়রের একান্ত সচিব আবুুল হাশেম, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/ইএইচ












