বাংলাধারা প্রতিবেদন »
পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দামের লাগাম টানতে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পু্লিশ (সিএমপি)। থানা প্রাঙ্গণে ৪৫ টাকা দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে শনিবার(৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কোতোয়ালী, খুলশী, পাহাড়তলী, চান্দগাঁও ও ইপিজেড থানায় রান্নার অন্যতম উপকরণটি বিক্রি করা হবে।
প্রত্যেক থানা প্রাঙ্গণে এক টন করে প্রতিদিন পাঁচ টন পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএমপি। পুলিশের এ কার্যক্রম এক সপ্তাহ ধরে চলবে বলে জানা গেছে। একজন ক্রেতাকে সর্বোচ্চ এক কেজি করে পেঁয়াজ দেয়া হবে।অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া পেঁয়াজের দামের লাগাম টানতে পুলিশের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া পেঁয়াজের দামের লাগাম টানতে পুলিশের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, দেশে আর যাতে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয় এবং ব্যবসায়ীরা যাতে পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি করতে না পারেন, সে জন্য ছয়টি গুদামঘর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চট্টগ্রাম, রংপুর ও মৌলভীবাজার—এই তিন জেলায় ছয়টি গুদাম নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি জেলায় দুটি করে গুদাম নির্মাণ করবে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।
টিসিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গম, ডাল, আলুর জন্য দেশে গুদাম রয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য কোনো গুদাম নেই।ফলে এর দাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে কারসাজি করলেও সরকারের কিছুই করার থাকে না।
অন্যদিকে, বাজারে পাকিস্তান থেকে আমদানি করা পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮০ টাকা। মিশরের পেয়াঁজের দাম প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৩ টাকা।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












