কাউছার আলম, পটিয়া »
পটিয়ার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের নাইখাইন গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আলমখালী খালটির এবাদত খানা এলাকায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ করার ফলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার আশংকা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী খালটি রক্ষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। গত বুধবার ইউএনও হাবিবুল হাসানের নির্দেশে পটিয়া সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারগণ খালটি পরির্দশন করে খালে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
জানা যায়, পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের নাইখাইন গ্রামের পশ্চিম অংশ দিয়ে আলমখালী খালটি চানখালী খালের সাথে মিশেছে। এ খালটি একটি জোয়ার ভাটির খাল হলে ও এটি ৪/৫ গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন করে থাকে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন গত দুই দিন ধরে এ খালের এবাদত খানা এলাকায় নুর মোহাম্মদ নামে এক ব্যবসায়ী দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করে। এতে এলাকাবাসীর মাঝে প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়লে তা তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।
জঙ্গলখাইন ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মো: ইদ্রিস বলেন, খালে স্থাপনা নির্মান করা হলে আমার ইউনিয়নের বৃহত্তর এলাকা জলাবদ্ধতার কবলে পড়বে। তাই আমি খালের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ থেকে তাদেরকে বিরত থাকার জন্য বলেছি।
গতকাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারগণ খালের উপর দোকান নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন।
এ নিয়ে নির্মিতব্য দোকানের মালিক নুর মোহাম্মদ বলেন, আমি বিএস খতিয়ান মতে আমার ক্রয়কৃত জায়গায় একটি দোকান নির্মান কাজ করছি। তবে এ বিষয়ে ইউএনও মহোদয় আমাদের কে তার দপ্তরে ডেকেছেন বলে দুই কর্মকর্তা আমাদের জানিয়েছেন। আমরা কাজ বন্ধ করে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তার দপ্তরে হাজির হয়েছি। আমরা ইউএনও মহোদয়ের কাছে আমাদের কাগজপত্র উপস্থাপন করবো। এতে তিনি যে নির্দেশনা দেবেন আমরা সেই মোতাবেক দোকানের কাজ করবো। জনস্বার্থ পরিপন্থী কোন কাজ আমরা করবো না।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) হাবিবুল হাসান বলেন, খাল দখলের অভিযোগ পেয়েই আমি সহকারী কমিশনার ভূমিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এতে নিয়মানুযায়ী সার্ভেয়ারগণ খালের স্থাপনা নির্মানস্থলে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন,যে কেউ খাল দখল করলে বা প্রকৃতি নষ্ট করলে রেহাই পাবে না। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












