কক্সবাজার প্রতিনিধি »
সেন্টমার্টিন সাগরে ভাসন্ত অবস্থায় এবার এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টমার্টিনের ছেরাদ্বীপের পশ্চিমাংশে বীচ এলাকা হতে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে. নাঈম উল হক। ধারণা করা হচ্ছে তিনিও ১১ ফেব্রুয়ারী ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজদের মাঝে কেউ হবেন।
নাঈম উল হক জানান, সেন্টমার্টিন কোস্ট গার্ডের টহল টিম টহলরত অবস্থায় সেন্টমার্টিন ছেড়া দ্বীপের দক্ষিণ পশ্চিম পার্শ্বে রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাগর তীরে ভাসমান একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে। মরদেহটি মধ্য বয়সী এক পুরুষের।
তিনি আরো জানান, কোস্ট গার্ডের পিও (রাই)
হেলালের নেতৃত্বে মরদেহটি রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাঠের বোট করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নৌপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার আশায় বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে টেকনাফের মহেশখালীয়াপাড়া এলাকা দিয়ে ট্রলারে উঠে শতাধিক রোহিঙ্গা। সেন্টমার্টিন উপকুলে গিয়ে ডুবে যায় একটি ট্রলার। মালয়েশিয়াগামিদের মধ্যে বেশীরভাগই নারী। দালালদের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন উপকূল পাড়ি দিতে গিয়ে ট্রলারটি ডুবে গেলে ভাসমান অবস্থায় ১৫ রোহিঙ্গার মরদেহ উদ্ধার করে কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনী। একই সঙ্গে আরও ৭৩ রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারদের দাবি মতে, ট্রলারে আরও অন্তত ৫০ রোহিঙ্গা ছিল। তাদের খোঁজে টানা অনুসন্ধান চালালেও শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সন্ধ্যায় এবং শনিবার দুপুরে ও রাতে পৃথক ভাবে দু’নারী এবং এক পুরুষের মরদেহ পাওয়া গেছে।
অপরদিকে, ট্রলার ডুবির ঘটনায় বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১৯ মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












