ইফতেখার হোসেন »
আয়রে নবীন কোদাল ধর, অচল রাস্তা সচল কর
আয়রে তোরা বাইরে আয়, বসে থাকার সময় নাই
এই স্লোগানে বোয়ালখালীর মুফতিপাড়া এলাকার তরুণরা এগিয়ে এলো রাস্তা সংস্কারের কাজে।
বোয়ালখালী পৌরসভার কানুনগোপাড়া সংলগ্ন মুফতিপাড়া এলাকায় রাস্তার বেহাল দশা। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। ৫নং ওয়ার্ডের মুফতিপাড়া এলাকায় বৃষ্টিবাদল ছাড়াই রাস্তায় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। অবশেষে এলাকার তরুণরাই দুঃখ ঘোচাতে এগিয়ে এলো।

ঈদগাঁর সামনে থেকে মসজিদের দুইদিকে পুকুরপাড়ে বাঁধ দেয়া, ছোট পুকুরপাড় হয়ে মুফতি কায়ুম উদ্দীন শাহ মাজারের সামনের সড়ক, ফজল আলী টেন্ডলের বাড়ীর সামনের সড়ক পর্যন্ত রাস্তার সংস্কার কাজ করেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, মুফতিপাড়া থেকে প্রধান সড়কে প্রবেশপথে রাস্তাটিতে ইটের অস্তিত্ব পর্যন্ত বিলীন হয়ে যাওয়ার প্রকোপ।
সংস্কার কাজের উদ্যোক্তা মুফতিপাড়া বাসিন্দা প্রবাসী মোশরাফুল হক বাংলাধারাকে জানান, দীর্ঘ ছয় বছরেরও বেশী সময় ধরে রাস্তাগুলোর বেহাল দশায় জরাজীর্ণ জীবন-যাপন। পৌরসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও জনপ্রতিনিধিদের অবহেলা আর সুনজরের অভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

বেহাল রাস্তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আরো বলেন, প্রতি বর্ষায় রাস্তাগুলো আবাদী জমির আকার ধারণ করে। প্রতিবার দেশে আসার পর রাস্তায় চলাচলের যে দূর্ভোগ হয় তা থেকে পরিত্রানের জন্যে কিছুটা চেষ্টা করাই ছিলো মূল লক্ষ্য। পরবর্তিতে এলাকার তরুণেরা এগিয়ে এলে তাদের সাথে নিয়ে ব্যক্তিগত অর্থায়নে একাধারে ঈদগাঁর সামনে থেকে মসজিদের দুইদিকের পুকুরপাড়, ছোট পুকুরপাড় হয়ে মুফতি কায়ুম উদ্দীন শাহ মাজারের সামনের সড়ক, ফজল আলী টেন্ডলের বাড়ীর সামনের সড়ক পর্যন্ত রাস্তার সংস্কার কাজ করা হয়।
এতে এলাকার মুরব্বীরাও সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, ইউনিয়ন পরিষদ থাকাকালীন ইট দিয়ে তৈরী করা হয়েছিলো রাস্তাটি। এদিকে পৌরসভা গঠনের প্রায় ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের দেখা মেলেনি সড়কটির। পৌরসভা কর্তৃক কোনো প্রকারের সংস্কার কাজও না করার অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বিগত বছরগুলোতে রাস্তাটি মেরামতের জন্যে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
এ ব্যাপারে পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কমিশনার ইসমাইল হোসেন আবু’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলাধারাকে জানান, পৌরসভা হলেও তেমন সুবিধা দিতে পারি নি। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার কাজ হলেও এই এলাকার কাজগুলো এখনো করা সম্ভব হয়নি। আমরা ইতোমধ্যেই দরপত্র আহবান করেছি। আনুষঙ্গিক কাগজপত্রগুলো হাতে পেলেই এপ্রিল থেকে রাস্তার কাজ শুরু করার আশা করছি।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/ইফ












