৩০ মার্চ ২০২৬

রফতানি আয় বাড়াতে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনামের মতো রফতানি আয় বাড়াতে হলে দক্ষ জনশক্তি দরকার আমাদের। ইজি অব ডুয়িং বিজনেসের সুযোগ তৈরি করতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীকে নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা দিতে হবে। শুধু পোশাকশিল্প নির্ভর না হয়ে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হতে হবে। 

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে দেশি শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের ভূমিকা, শুল্ক সংক্রান্ত সহায়তা বিষয়ে মতবিনিময় ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্যারিফ কমিশন চেয়ারম্যান তপন কান্তি ঘোষ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশি শিল্পের বিকাশ ও স্বার্থ সুরক্ষা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি নীতির আলোকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন গবেষণালব্ধ কাজ করছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কঠিন জিনিস, নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতার জায়গা। বৈধ কাগজপত্র, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হয়। বিদেশিরা এসে নথিপত্র দেখতে পারে। নানা সার্টিফিকেশন, মানবিকতা, মানবাধিকার, শ্রমিকদের অধিকার দেখতে হয়। নানা দেয়াল টপকাতে হয়। এক দেশের পণ্য অন্য দেশের ওপর দিয়ে তৃতীয় দেশে রফতানি হয়ে থাকে। 

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, অনেক ব্যবসায়ী ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ সম্পর্কে জানেন না। এ কমিশন এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশমালা দিয়ে থাকে। তাই ব্যবসায়ীদের এ কমিশনের কাছে যেতে হবে। স্থানীয় শিল্প না থাকলে কর্মসংস্থান হবে না। 

তিনি বলেন, আমাদের ডাটাবেজ খুবই জরুরি। কত গম, চিনি, তেল, ছোলা ইত্যাদি লাগবে সেই ডাটা নেই। কোনো পণ্যের ওভার ইমপোর্ট হচ্ছে, কোনোটি ঘাটতি পড়ছে। তিনি ভ্যাট মেলা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক, কাস্টম হাউস কমিশনার এম ফখরুল আলম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু হাসান।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম 

আরও পড়ুন