বাংলাধারা প্রতিবেদন »
দেশে চলছে সংকটময় সময়। সরকারী ঘোষণায় বন্ধ রয়েছে সকল প্রতিষ্ঠান। মানবিক দিক বিবেচনায় আপাতত কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছাটাই না করতে সরকারও নিষেধ করেছেন। ঠিক তখনই দেশের এই দূর্যোগকালীন সময়ে মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করে প্রায় ৫০০ শ্রমিক ছাটাই করে দিয়েছে নগরীর কর্ণফুলী রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) অবস্থিত এপারেলস লিমিটেড নামক চীনের হংকংভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান।
জানা যায়, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের ৯১-৯৩ প্লটে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান। এছাড়াও চট্টগ্রাম ইপিজেডে তাদের কারখানা রয়েছে।
ওই গার্মেন্টসের কর্মী আসমা খাতুন বলেন, ফ্লোর ইনচার্জ বলে দিয়েছেন আপাতত আর কারখানায় আসতে হবে না। করোনার কারণে মালিকের কাজের অর্ডার নেই। যদি আবার কখনও শ্রমিক প্রয়োজন হয় তখন তাকে খবর দেওয়া হবে।
ভোলার জসিম উদ্দিন বলেন, মার্চ মাসের বেতন দিয়ে তাদেরকে চাকরিচ্যূত করা হয়েছে। চাকরিচ্যূতির বিষয়টি যাতে বাইরে প্রকাশ করা না হয় তার জন্য তাদেরকে আবার চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়ার আশ্বাসও দিয়ে রেখেছে। যা একটি অপকৌশল হিসেবে দেখছেন সিনিয়র শ্রমিকরা।
কেইপিজেডের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক মশিউদ্দিন বিন মেজবাহ বলেন, অস্থায়ী শ্রমিকদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করতে হলেও কিছু নিয়মকানুন আছে। একসাথে এত শ্রমিক বিদায়ের সুযোগ নেই। দুই একজন যদি কারখানার পরিবেশের সঙ্গে খাপ না খায় কিংবা কাজের মান ভালো না হয় তার ব্যাপারে মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার যেহেতু আমাদের পাশে আছে করোনাকে পুঁজি করে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সুযোগ নেই। কেউ যদি আমাদের অফিসে অভিযোগ করে আমরা বিষয়টি দেখবো।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












