বাংলাধারা ডেস্ক »
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৬১ লাখ ছড়িয়ে গেল। রোববার (৩১ মে) করোনার সংক্রমণ নিয়ে তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ড মিটার এ তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারি ভাইরাসটির নতুন প্রাদুর্ভাব কেন্দ্র এখন লাতিন আমেরিকা। এদিকে ভারতে প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এশিয়ার অবস্থা ভালো না।
তবে এখন পর্যন্ত করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। আক্রান্ত-মৃত্যুর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ধারেকাছে কোনো দেশ নেই। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৮ লাখের বেশি মানুষের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার; সুস্থ ৫ লাখের বেশি মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের পর আক্রান্তে পরের স্থানটি লাতিন অঞ্চলের দেশ ব্রাজিলের। সেখানে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ। দেশটিতে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। ৪ লাখের বেশি করোনা পজিটিভ মানুষ নিয়ে এরপরই রয়েছে রাশিয়া। অথচ ইউরোপে যখন করোনার ব্যাপক বিস্তার চলছে তখন সেখানে অতটা সংক্রমণ ছিল না।
প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড ভেঙে ভারত এখন আক্রান্ত শীর্ষ দশ দেশের একটি। তাই পঞ্চম দফায় নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার নীতি নিয়ে দেশটির সরকার লকডাউন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে কম সংক্রমিত এলাকায় ধীরে ধরে নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে।
উল্লিখিত দেশগুলোর বাইরেও আক্রান্তের দিক দিয়ে শীর্ষ দশে থাকা দেশগুলো হলো যথাক্রমে স্পেন, যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও তুরস্ক। এছাড়া দেড় লাখ করে আক্রান্ত রয়েছে পেরু ও ইরানে। এছাড়া চিলি, কানাডা এবং মেক্সিকোতেও আক্রান্ত লাখ ছুঁই ছুঁই।
তবে আশার খবর হলো কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ২৭ লাখেরও বেশি মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে করোনার সম্ভাব্য ১২৫টি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে। এরমধ্যে দশটি মানবদেহে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। অনেকে বলছেন, সেপ্টেম্বর কিংবা বছরের শেষ নাগাদ তা প্রস্তুত হবে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












