বাংলাধারা প্রতিবেদন »
চট্টগ্রাম বন্দরে আসা পাঁচটি কন্টেইনার থেকে এক লাখ কেজি জিপি শিট আমদানির ঘোষণা দিলেও কন্টেইনার খুলে সেখানে কোন জিপি শিট মিলেনি। পাওয়া গেছে কিছু টাইলস। কন্টেইনারের বাকি অংশ পুরোটাই খালি। গত ১৪ জুন কন্টেইনার খুলে কায়িক পরীক্ষার পর বিষয়টি নিশ্চিত হয় চট্টগ্রাম কাস্টমসের গোয়েন্দা দল এআইআর শাখা। এর মাধ্যমে টাকা পাচার করে দেওয়া অথবা সরবরাহকারীর ভুলের কারণে এমটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা।
কাস্টম হাউস সূত্র জানায়, ঢাকার বংশালের ১৩৯ মাজেদ সরদার সড়কের কামাল স্টিল হাউস চীন থেকে পাঁচ কনটেইনারে ১ লাখ ৬ হাজার কেজি জিপি শিট আমদানির ঘোষণা দেয়।
জানা যায়, এনসিসি ব্যাংক থেকে প্রায় ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশি টাকায় ৫২ লাখ টাকা ঋণপত্র খুলে। মেরিন তারাবা জাহাজে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর আমদানিকারকের নিয়োজিত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চট্টগ্রামের শেখ মুজিব রোডের ইউনিকো ইন্টারন্যাশনাল গত ৯ জুন চালানের বিপরিতে শুল্কহার পরিশোধ করে। ৫৩ শতাংশ শুল্কহারে সোনালী ব্যাংক কাস্টম হাউস শাখায় গত ১১ জুন চালানটির বিপরিতে মোট ৩৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার শুল্ক পরিশোধ করে। এরপর নিয়মানুযায়ী পণ্য কায়িক পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায় সেখানে পাঁচটি কন্টেইনারের কোনটিতে জিপি শিট পাওয়া যায়নি।
এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ইমরুল হোসাইন বলেন, কনটেইনারের সিলগালা ঘোষণা অনুযায়ী ঠিক ছিল। কিন্তু ভেতরে ঘোষিত পণ্যের সন্ধান মিলেনি। তবে ২২৫ প্যাকেট টাইলস পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, টাকা পাচারের বিষয়টি খুব বেশি মনে করছি না। কারণ আমদানিকারক ইতিমধ্যে কাস্টমসে উচ্চ শুল্ক পরিশোধ করেছন। এরপরও আমরা বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছি না। সরবরাহকারীর ভুলেও হতে পারে। সব বিষয় মাথা রেখেই তদন্ত করা হচ্ছে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












