খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি »
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বিশেষ অবদান রাখা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে স্মরণ করে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে মাটিরাঙায়।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে মাটিরাঙা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মাটিরাঙা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল হক। মাটিরাঙা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আরিফুল হকসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে পাঁচ জন প্রশিক্ষিত নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ও মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ।
মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নীরবে-নিভৃতে বাঙালি জাতির জন্য কাজ করে গেছেন মন্তব্য করে মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ বলেছেন, তার অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা না থাকলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হতো না। বঙ্গবন্ধুকে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব শুধুমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন তাঁর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। বঙ্গমাতা বাঙালি জাতিকে পরিবারের মতো আগলে রাখতেন। শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন অসীম সাহসী একজন নারী।
তিনি আরো বলেন, ১৯৩০ সালের আজকের দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে নিহত হন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ












