২৯ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামসহ দেশের সব উপজেলায় কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত ইসি’র

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ দেশের সকল উপজেলা বা থানা পর্যায়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য মাত্র একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। একটি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে এই একজন কর্মকর্তার পক্ষে কাজ করাও কঠিন। তাই এনআইডি কার্যক্রম গতিশীল করতে দেশের সব উপজেলায় ‘সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা’ নামে দ্বিতীয় শ্রেণির পদ সৃষ্টি করে তাতে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

জানা গেছে, নির্বাচন কর্মকর্তার প্রধান কাজই হচ্ছে ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও নির্বাচন পরিচালনা করা। কিন্তু বর্তমানে তাঁকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এনআইডি সংক্রান্ত কাজগুলোও করতে হয়। এদিকে অনেক সময় বাড়তি চাপের কারণে সুযোগ নেন ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা। তাদের অনেকে অনিয়মেও জড়িয়ে পড়েন।

বর্তমানে দেশে ৪৯২টি উপজেলা রয়েছে। আর প্রতিটি উপজেলায় রয়েছে একটি করে নির্বাচন কার্যালয়। আর রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ইসির ১৫টি থানা নির্বাচন কার্যালয়। সব মিলিয়ে পাঁচ শতাধিক উপজেলা/থানায় সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পদে নিয়োগের কার্যক্রম নিয়েছে সংস্থাটি।

ইসি এনআইডি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের কাছে সমস্যাগুলো উপস্থাপনের পর উপজেলা বা থানা পর্যায়ে নতুন একটি পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত আসে। ইতোমধ্যে প্রতিটি উপজেলায় ‘সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা’ নামে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা পদটি সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে নিয়োগবিধি এখনো হয়নি। শিগগির সব গুছিয়ে এনে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা  হবে। 

ইসির যুগ্ম সচিব ও এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক মো. আবদুল বাতেন বলেন, এনআইডি কার্যক্রম একটি বিরাট কর্মযজ্ঞ। মাঠপর্যায়ে একজন কর্মকর্তা দিয়ে এটি তুলে আনা প্রকৃত পক্ষেই দুরূহ কাজ। ইতোমধ্যে পদ সৃষ্টি হয়ে গেছে। এখন নিয়োগের পালা। নিয়োগ হয়ে গেলে আর সমস্যা থাকবে না।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে ভোটার সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি। এছাড়া প্রতিদিন নতুন ভোটার হওয়ার জন্য নতুন নতুন আবেদন পড়ছে। উপজেলা থেকেই তদন্তের পর এনআইডি দিচ্ছে ইসি।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন