বাংলাধারা প্রতিবেদন »
বন্দর নগরী চট্টগ্রামে করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরেও অনেক ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। কাশি, মাথা ঘোরা, গা-হাত পা ব্যথাসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানান রোগীরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শ্বাসের সমস্যা ও হৃদযন্ত্রের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে। তাই সুস্থ হয়ে ওঠার পরেও আবারো হাসপাতালে যাচ্ছেন অনেকেই।
চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন অনেকেই। যতদিন যাচ্ছে সুস্থতার হার তত বাড়ছে। কিন্তু এতে খুশি হবার কিছু নেই। কারণ সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরও অনেকের শ্বাসকষ্ট ও হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ফলে অনেকে করোনা নেগেটিভ হওয়া স্বত্ত্বেও মারা যাচ্ছেন। তাই করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে যাবার পরেও মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বাংলাধারাকে জানান, কোভিড জয় করার পরবর্তী সময়টাতে রোগীদের কিছু সমস্যা থেকেই যায়। এ ধরণের খবর আমরা পেয়েছি। কোভিড আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে যাবার পর ফুসফুসের সমস্যা অনেকদিন ধরেই থেকে যায়। আমাদের ডাক্তাদের কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হয়ে সুস্থও হয়েছেন, কিন্তু পরবর্তীতে মারা গেছেন। তাই আমি সবার উদ্দেশ্যে একটা কথাই বলব, আপনি করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে গেছেন, তাই আপনি খুশি হয়ে বাড়ি চলে গেলে হবে না। কিছুদিন পর আবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া, এক্স-রে করা এসব কাজগুলো করা প্রয়োজন।
এদিকে চট্টগ্রামে আবারো বাড়তে শুরু করেছে করোনা আক্রান্ত রোগীর হার। চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ২১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১১ হাজার ৪৮৮ জন নগরীর ও ৪ হাজার ৭২৭ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। চট্টগ্রামে সুস্থ হয়েছে মোট ৩ হাজার ৭০৮ জন করোনা রোগী। চট্টগ্রামে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৩ জনে।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, আমরা আগেও বলেছি স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনার সংক্রমণ বাড়বে। করোনার সংক্রমণ বাড়ছে এবং সামনে আক্রান্তের হার আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছি। তাই সবাইকে সচেতন থাকার কোন বিকল্প নেই।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












