১৩ মার্চ ২০২৬

ম্যাচের পর ডাগআউটে অঝোরে কাঁদছিলেন নেইমার

বাংলাধারা ডেস্ক »

নিজেদের ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেছে ফ্রেঞ্চ ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করতে না পারার মাশুল গুনেছেন নেইমার, এমবাপেরা।

বিশ্ব রেকর্ড গড়া পারিশ্রমিকে (২২২ মিলিয়ন ইউরো) ২০১৭ সালে তাকে বার্সেলোনা থেকে নিজেদের তাঁবুতে ভিড়িয়েছিল পিএসজি। লক্ষ্য একটাই- ইউরোপের সেরা হওয়া। ইনজুরি আর খেয়ালি জীবনে প্রথম দুই বছর নেইমার সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। ২০১৯-২০ মৌসুমে এসে স্বপ্নের খুব কাছে পৌঁছে গেলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ তিনি।

এবারো পারলেন না প্যারিসের ক্লাবকে ইউরোপ সেরার মুকুট পরাতে। না পারার এই বেদানায় ম্যাচ শেষে নেইমার অঝোরে কেঁদেছেন।

রবিবার পর্তুগালের লিসবনের স্তাদিও দা লুজ স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বায়ার্নের বিপক্ষে ০-১ গোলে হেরেছে পিএসজি। প্রথমবার আসরের ফাইনালের মঞ্চে পা রেখে শিরোপার স্বপ্ন বুনছিল যে দল। নেইমার-এমবাপ্পেদের মতো তারকা ছিলেন বলে বাজির দর যে হালকা ছিল তা নয়। যদিও বায়ার্ন মৌসুম জুড়ে ছিল দুর্দান্ত আর অবিশ্বাস্য ধারাবাহিক।

শেষ পর্যন্ত বায়ার্নের ‘ব্র্যান্ড’ ফুটবলেরই জয় হয়েছে। কিংসলে কোমানের গোলে শিরোপা উৎসব করেছে জার্মান দলটি। আর নেইমার?

শিরোপা জিতলেও হয়তো কাঁদতেন তিনি। ২৮ বছর বয়সী তারকা যে বরাবরই আবেগি চরিত্র। বিশেষ করে ফুটবল মাঠে। নেইমার কাঁদলেন ঠিকই, তবে সেটা আনন্দের নয়, ব্যর্থতার।

ম্যাচের পর ডাগআউটে বেঞ্চে বসে অঝোরে কাঁদছিলেন নেইমার। সেই কান্না আড়াল করার চেষ্টা করছিলেন অবশ্য। কিন্তু পারেননি। তার কান্নার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এরই মধ্যে ভাইরাল।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/ইরা

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ