বাংলাধারা প্রতিবেদন »
মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ধীরে ধীরে চালু হচ্ছে বিয়েসহ সব রকম সামাজিক অনুষ্ঠান। সেই সাথে গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও সরকার এখনো সামজিক অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি।
সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চালু হলেও খোলা হয়নি নগরীর কমিউনিটি সেন্টারগুলো। তবে সামাজিক দূরত্ব মেনে করোনার দীর্ঘ সাড়ে পাঁচমাস বন্ধের পরে নগরীর কিছু কমিউনিটি সেন্টার খুলছে বলে জানা যায়। এতে শুরু হবে বিয়েসহ সবরকম সামাজিক অনুষ্ঠানও। তবে ঘরোয়াভাবে বিয়েসহ এসব অনুষ্ঠান চলে আসছে করোনার মধ্যেই। অল্প কয়েকজন মানুষের উপস্থিতিতে শেষ হয়েছে এসব অনুষ্ঠান।
মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে নগরীর এসব কমিউনিটি সেন্টারে প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫টি সামাজিক অনুষ্ঠান হতো। আবার মাঝেমধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কিছু লগ্নে সকাল-বিকাল দুই বেলাই বিয়ের অনুষ্ঠান থাকত। এসময় খালি থাকতো না কোনো কমিউনিটি সেন্টার।
কমিউনিটি সেন্টারের সাথে কর্মকর্তা-কর্মচারী, বয়-বাবুর্চি, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ লক্ষাধিক মানুষ জড়িত রয়েছেন। দীর্ঘ বন্ধে কর্মহীন অবস্থায় অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছেন তারাও।
চট্টগ্রাম কমিউনিটি সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি সাহাবুদ্দিন ডেকোরেটার্সের মালিক মো. সাহাবুদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৫০টি কমিউনিটি সেন্টার রয়েছে। ট্রেন, বাসসহ সকল গণপরিবহণ আগের মত চালু হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনও চলছে স্বাভাবিক নিয়মে। তাই আমরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবগুলো কমিউনিটি সেন্টার খুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছি।
‘এছাড়াও এ কমিউনিটি সেন্টারের সাথে জড়িত রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। সবার কথা বিবেচনায় রেখে এবার ক্লাবগুলো খুলে দেয়া দরকার। তাহলে তারাও খেয়ে বাঁচতে পারে। এছাড়াও এ পাঁচ মাসে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনও দিতে হয়েছে।’- যোগ করেন তিনি।
বাংলাধারা/এফএস/এএ












