বাংলাধারা প্রতিবেদন »
‘বাংলাদেশ বিরোধী রাজনীতি, খুন-হত্যা-রাহাজানির রাজনীতি, স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক শক্তিকে হত্যা করার রাজনীতি, কখনোই আর্থিক অনুদান দিলেই মোচন হয়ে যাবেনা, যেতে পারেনা। শিবিরের খুনের রাজনীতি এবং এই রাজনীতিকে যেই ব্যক্তিই ধারণ করেছে, যদি তা সত্য হয়ে থাকে এবং যদি অনুশোচনা না করে থাকেন তাহলে তার প্রতি সহানুভূতি এবং শোক প্রকাশের কোনো অবকাশ নাই।’
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক একাউন্টের এক স্ট্যাটাসে এমন মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল লিখেন, চট্টগ্রামের ‘কাশেম-নুর ফাউন্ডেশন’ এর প্রধান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলুর ভাই জনাব হাসান মাহমুদ চৌধুরীর মৃত্যুতে অনেকের মতো আমিও শোক প্রকাশ করেছি। তার সাথে আমার বিশেষ পরিচয় ছিলোনা। অস্ট্রেলিয়ায় চট্টগ্রাম সমিতির একটি অনুষ্ঠানে আমার সাথে প্রথম পরিচয়। যতদুর জানি এই ফাউন্ডেশন করোনাকালীন সময়ে দান অনুদান সহযোগিতা করেছে চট্টগ্রামে। তাই দানশীল ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করাই স্বাভাবিক।
‘তবে অতীতে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবিরের রাজনীতি করেছেন বলে আমাকে জানানো হয়েছে এবং এই অভিযোগও তোলা হয়েছে যে তিনি ছাত্রলীগ নেতা হত্যার মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। আমি সেই সময়ের রাজনীতির প্রত্যক্ষদর্শী ছিলাম না, তবে যারা ছিলেন তারা এই কথা বলেছেন এবং যারা বলেছেন তারা ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মীই ছিলেন।’- বলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী।
ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ছাত্র শিবিরের খুনের আর বাংলাদেশ বিরোধী রাজনীতির সাথে জড়িত ব্যক্তির অপরাধ শুধুই কিছু টাকা দান করলেই মোচন হয়ে যাবেনা। অতীত রাজনৈতিক ও ফৌজদারি অপরাধের (যদি করে থাকে) অনুশোচনা তার ছিলো কিনা জানিনা, তবে সেই রাজনীতির প্রতি এবং এর ধারককে অবশ্যই ধিক্কার জানাই।
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিরোধী রাজনীতি, খুন-হত্যা-রাহাজানির রাজনীতি, স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক শক্তিকে হত্যা করার রাজনীতি, কখনোই আর্থিক অনুদান দিলেই মোচন হয়ে যাবেনা, যেতে পারেনা। শিবিরের খুনের রাজনীতি এবং এই রাজনীতিকে যেই ব্যক্তিই ধারণ করেছে, যদি তা সত্য হয়ে থাকে এবং যদি অনুশোচনা না করে থাকেন তাহলে তার প্রতি সহানুভূতি এবং শোক প্রকাশের কোনো অবকাশ নাই।
বাংলাধারা/এফএস/এএ












