বাংলাধারা স্পোর্টস »
রোনালদোর ক্যারিয়ারের অর্জন কম নয়। যেখানেই খেলেছেন পেয়েছেন সাফল্যের মুকুট। ইতালির জুভেন্টাসে খেলছেন দুই বছর হয়ে গেলো। প্রথম মৌসুমেই হয়েছেন সিরি’আর সেরা খেলোয়াড়, পেয়েছেন লিগ শিরোপাও। এখন পর্যন্ত জু্ভেন্টাসের হয়ে ৯১ ম্যাচে করেছেন ৬৮ গোল। শুধু তার জন্যই জুভেন্টাসের ভক্ত-সংখ্যা হুড়হুড় করে বেড়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ শক্তিশালী অবস্থান গড়ে উঠেছে জুভেন্টাস কেবল তার সুবাদেই।
ওদিকে জাতান ইব্রাহিমোভিচ ইতালিতে প্রত্যাবর্তন করেছেন এখনো এক বছর হয়নি। ২০২০-এর জানুয়ারিতে এসি মিলানে যোগ দিয়েছেন। অর্ধ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ২০ ম্যাচ খেলে করেছেন ১১ গোল। এ মৌসুমে অবশ্য দূর্দান্ত ফর্মে্র জানান দিচ্ছেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় এক মাস মাঠে নামতে পারেননি। তবু ৩ ম্যাচেই ৫ গোল তাঁর। এসি মিলানও চার ম্যাচ খেলে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে আছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চেয়ে ইতালিয়ান ফুটবলে জাতান ইব্রাহিমোভিচের বেশি প্রভাব পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এসি মিলান এবং জুভেন্টাসের প্রধান কোচ আলবার্তো জ্যাকেরোনি।
এসি মিলান ও জুভেন্টাস— দুই ক্লাবেরই কোচ ছিলেন জ্যাকেরোনি। তাই পক্ষপাতিত্ব না করেই মতামত দিয়েছেন এই সাবেক কোচ। তার ধারণা, একজন তারকা হিসেবে রোনালদো জুভেন্টাসের উপকারে এলেও ইতালির ফুটবলে তার তেমন অবদান নেই। টানা সাত বছর লিগ জেতা এক দলে যোগ দিয়েছেন রোনালদো। দাপুটে এক দলের সঙ্গী হয়ে আরও দুটি লিগ জিতেছেন।
আর ইব্রাহিমোভিচ ইতালিতে এসেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে। এসি মিলানকে ইউরোপিয়ান লীগে নিয়ে আসায় তার ভূমিকা অপরিসীম। মাঝে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়া এই সুইডিশ তারকার মনে হয়েছে এখনো ইউরোপিয়ান ফুটবলে খেলার সামর্থ্য তিনি রাখেন। তাই যোগ দিয়েছেন বাজে ফর্মে থাকা এসি মিলানে। জ্যাকেরোনি আরো বলেন, “ইব্রা কেবল গোল করেন না। তিনি তার সমস্ত সতীর্থের মধ্যে আত্মবিশ্বাস প্রেরণ করেন, কঠিন মুহুর্তগুলিতে দলকে তার কাঁধে বহন করেন।”
বাংলাধারা/এফএস/ওএস












