বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ খেজুর তলা জেলে পাড়ায় নিবন্ধিত মৎসজীবীদের পরিবারকে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকা সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভি.জি.এফ চাল বিতরণ করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন। আজ (২৮ অক্টোবর) সকালে মৎস্যজীবীদের মাঝে সরকারী চাল বিতরণের এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয়।
এসময় তিনি বলেন, ‘প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষায় প্রণোদনা কার্যক্রম একটি প্রশংসনীয় মানবিক উদ্যোগ। এর ফলে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে বেকার মৎস্যজীবী পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব ও দু’মুঠো অন্নের সংস্থান সম্ভব হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৎস্য প্রজননকালীন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় সামৃদ্রিক মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আকার ও ওজনে বড় হচ্ছে। এতে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। এ ছাড়াও সামুদ্রিক মাছ রফতানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।’
এসময় জেলেদের উদ্দেশ্যে সুজন বলেন, ‘সাময়িক একটু সমস্যা হলেও নির্দ্দিষ্ট সময়ে মৎস্য আহরণের নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে বাকীটা সময় মাছে-ভাতে বাঙালির সুখেই কাটবে।’
নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে কর্ণেল হাট ও ঝোলার হাটে সামুদ্রিক মাছ দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে এসময় তিনি জেলেদের সর্তক করেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবীরা প্রশাসককে অবহিত করে বলেন, মাছ শিকারের জন্য তাদের নির্ধারিত স্থানে ভোলা থেকে আসা মৌসুমী মৎস্যজীবীরা স্থানীয় কিছু মানুষের সহযোগিতায় তারা স্থানীয় জেলেদের বাঁধা দেয় এমন কি নির্যাতনও চালায়। তখন এই বিষয়টি আমলে এনে সুজন বলেন, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে।
এছাড়া এই অনুষ্ঠানে জেলা সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য রাখেন অনাথ বন্ধু দাস, সুভাষ দাস, সমীরণ দাস, রতন দাস, রতন দাস সহ স্থানীয় রাজনৈতিক আবদুস সালাম, আলী আজমী মিন্টু, শাহাদাত হোসেন, আলাউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












