ওমর শরীফ »
চোখ খুলে কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর দেখলেই বুঝা যায় শীত এসে গেছে। আর শীতে প্রয়োজন উষ্ণ ও আরামদায়ক পোশাক। তাই দোকানগুলো সেজেছে নানা বাহারের শীত পোশাকে।
চট্টগ্রাম নগরীর জহুর হকার্স মার্কেট, নিউ মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, চকবাজার, জিইসি, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এখানকার বিপণিবিতানগুলোতে শীতের পোশাক কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বিক্রেতারা সাজিয়েছেন পসরা।
বরাবরের মতই শীতের পোশাকে এসেছে বৈচিত্র্য। পুরোনো ও নতুন ডিজাইনের সংমিশ্রণে জমে উঠেছে পোশাকের বাজার। দোকানিদের কাছে শীতের আগমনী বার্তা পৌঁছে গিয়েছিল আগেই, তাই দোকানে গরম পোশাকের যেন কমতি নেই। শীতকে কেন্দ্র করে নানা রঙ আর ঢঙ এর পোশাক এসেছে বাজারে।
ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিং মলগুলোতে দেখা গিয়েছে সব ধরনের ক্রেতার ভিড়। তবে একটু খেয়াল করে দেখা মিলে, এসব শীতবস্ত্রের আবার রয়েছে শ্রেণিভেদ।
সাধারণত প্রতিবার দেখা যায় নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের বেশির ভাগ লোকই ফুটপাত বা জহুর হকার্স মার্কেটে শীতের পোশাক কিনতে উপচে পড়া ভিড় করে। তাই এখানে প্রতিবারের ন্যায় এবারও বিক্রেতাদের শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে। রয়েছে ফুলপ্যান্ট, ফুলহাতা গেঞ্জি, জ্যাকেট, মাফলার, হাতমোজা, পা মোজা, টুপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ও দামের কম্বল।
জহুর হকার্স মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী বাংলাধারাকে বলেন, ‘আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে। সপ্তাহ খানেক পর বেচাবিক্রি আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশাকরি।’
প্রবাদ আছে- ‘শখের দাম লাখ টাকা’, তাই এই শখ মিটাতে সানমার, আফমি, মিমি সুপার মার্কেটে উঁচু শ্রেণির মানুষদের ভিড় থাকলেও অনেক মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ফ্যাশন সচেতন তরুণ তরূণীও তাদের কেনাকাটা করতে আসছে এখানে।
শীতের পোশাকের সুন্দর সব কালেকশন নিয়ে এসেছে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোও। জ্যাকেট, ব্লেজার, সোয়েটার, শাল, হুডিতে যেমন রয়েছে ফ্যাশন বৈচিত্র্য তেমনি রয়েছে বাহারি রঙ। চামড়া, রেক্সিন, সুতি, উলের কাপড় দিয়ে তৈরি এসব পোশাক এরই মধ্যে আসতে শুরু করেছে বাজারে। অনেক শোরুম এবং ফ্যাশন হাউজ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ছাড় বা মূল্যহ্রাসের মত আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিচ্ছে তাদের নির্দিষ্ট পোশাকে।
বাংলাধারা/এফএস/ওএস












