স্পোর্টস ডেস্ক »
দুর্দান্ত একটা ফাইনাল দেখল বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে যে পরিমাণ উত্তেজনা, রুদ্ধশ্বাস মুহূর্ত থাকা দরকার, আজ সবই ছিল। তবে শেষ হাসি হাসল তারকাবহুল দল জেমকন খুলনা। গাজী গ্রুপের তরুণ তুর্কীরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে হার মেছেন ৫ রানে।
শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৬ রানের। বোলার শহীদুল ইসলাম। প্রথম বলে ১ রান নেন সৈকত আলী। পরের বলে মোসাদ্দেক নেন ২ রান। তৃতীয় বলেই শুভাগত হোমের তালুবন্দি হয়ে ফিরেন ১৪ বলে ১টি করে চার-ছক্কায় ১৯ রান করা মোসাদ্দেক। পরের বলে আবারও উইকেট। শহীদুলের বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে যান ৪৫ বলে ৪ ছক্কায় ৫৩ রানের চমৎকার ইনিংস উপহার দেওয়া সৈকত আলী। তবে শহীদুলের হ্যাটট্রিক আর হয়নি। শেষ বলে প্রয়োজন ছিল ১২ রান। নাহিদুল ইসলাম বিশাল একটা ছক্কা হাঁকালে চট্টগ্রামের পরাজয়ের ব্যবধান কমে আসে।
তার আগে টস হেরে ব্যাটিং করে খুলনা। শুরুতেই জহুরুল ইসলাম ও ইমরুল কায়েসের উইকেট হারায় দলটি। দুইটি উইকেটই শিকার করেন ডানহাতি স্পিনার নাহিদুল ইসলাম। ভালো খেলতে থাকা জাকির হাসান ২০ বলে ২৫ রান করে সহজ ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।
চতুর্থ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন আরিফুল হক ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৩ বলে ২১ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে আউট হন আরিফুল। শুভাগত হোম ১২ বলে ১৫ রান করে ফেরেন শরিফুল ইসলামের শিকার হয়ে।
খুলনার পক্ষে একাই লড়াই করেছিলেন অধিনায়ক রিয়াদ। সপ্তম ওভারে নেমে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলেন তিনি। টুর্নামেন্টে নিজের সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন খুলনার অধিনায়ক। তার ৪৮ বলের অপরাজিত ইনিংসটি সাজান ছিল ৬টি চার ও ২টি ছক্কায়।
নির্ধারিত ২০ ওভারে খুলনা পেয়েছিল ১৫৫ রানের সংগ্রহ। চট্টগ্রামের পক্ষে নাহিদুল ও শরিফুল ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
জেমকন খুলনা ১৫৫/৭ (২০ ওভার)
রিয়াদ ৭০*, জাকির ২৫, আরিফুল ২১, শুভাগত ১৫, ইমরুল ৮, মাশরাফি ৫;
নাহিদুল ২/১৯, শরিফুল ২/৩৩, মোসাদ্দেক ১/২০, মুস্তাফিজ ১/২৪।
গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ১৫০/৬ (২০ ওভার)
সৈকত ৫৩, শামসুর ২৩, লিটন ২৩;
শহিদুল ২/৩৩, শুভাগত ১/৮, আল আমিন ১/১৮।
ফলাফল : ৫ রানের জয়ে চ্যাম্পিয়ন জেমকন খুলনা
বাংলাধারা/এফএস/এআর












