১৯ মার্চ ২০২৬

আনোয়ারায় গভীর রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে ভাঙচুর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গুলি

আনোয়ারা প্রতিনিধি »

আনোয়ারায় জায়গা জমির বিরোধ নিয়ে গভীর রাতে অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানা প্রাচীর ও পাকা গেইট ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে।

২৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর কাজী বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। ভাঙচুরের ঘটনায় মো. মোরশেদ বাদী হয়ে ১১ জনকে বিবাদী করে থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,হাইলধর ইউনিয়নের কাজী বাড়ি এলাকার মো. মোরশেদ গংদের সাথে একই এলাকার মো. ইব্রাহীম গংদের সাথে চলাচলের রাস্তা ও বাড়ির সম্মুখ ভাগের গেইট নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধ নিয়ে একাধিক মামলাও রয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে ইব্রাহিম গংরা অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে মোরশেদ গংদের স্থাপিত পাকা গেইট ভেঙ্গে পুকুওে ফেলে দেয়। এসময় তারা মুহুর্মুহু গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে হামলা ও ভয়ভীতি দেখায়।

সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রায় এক ঘন্টা তান্ডব চালিয়ে সীমানা প্রাচীর, গেইট ভাঙচুর চালায় বলে জানায় মোরশেদ। এক পর্যায়ে ৯৯৯এ কল করলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনোয়ারা থানা পুলিশ।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর সন্ত্রাসীরা চলে যায়।

এ ঘটনায় অভিযোগকারী মো.মোরশেদ জানায়, মো. ইব্রাহীমের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক বন্দুক, গুলি, কিরিচ রামদা সজ্জিত সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের ঘরের সামনের গেইট ও সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। প্রায় এক ঘন্টা তান্ডব চালায় তারা। পরে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পরে সন্ত্রাসীরা চলে যায়।

এ ব্যাপারে আনোয়ারা থানার ওসি এস এম দিদারুল ইমলাম সিকদার বলেন, গভীর রাতে গুলি ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ছয় রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাস্থলের পরিবেশ বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

বাংলাধারা/এফএস/এইচএফ

আরও পড়ুন