বাংলাধারা প্রতিবেদন »
মিয়ানমারের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক মিয়ানমার টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আলোচনা চলছে। দামদরে মিলে গেলে বাংলাদেশে এক লাখ টান চাল রপ্তানির করতে চায় মিয়ানমার।
সোমবার (১১ জানুয়ারি) এই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি পর্যায়ের এই চুক্তিতে দরদাম কী হবে, তা এখনো ঠিক হয়নি।
মিয়ানমারের খাদ্যশস্য সংগঠনের সেক্রেটারি ইউ অং মিন্ট পত্রিকাটিকে বলেছেন, ‘কয়েক দিনের মধ্যে আমরা দাম নিয়ে আলোচনা করবো। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো গেলে সমুদ্রপথে এই চাল পাঠানো হবে।’
চাল উৎপাদনে বিশ্বের ৭তম দেশ মিয়ানমার। এবার তারা রপ্তানিতেও এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ মনোযোগী হয়েছে। বর্তমানে মিয়ানমার সরকার ২০ লাখ টন চাল রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। এতে দেশটির আন্তর্জাতিক চালের বাজারে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তারা স্থল এবং জলপথের মাধ্যমে ৬৫টি দেশে চাল রপ্তানি করে থাকে। তাদের রপ্তানির বড় একটি অংশ যায় চীনে। মিয়ানমার থেকে সর্বশেষ তিন বছর আগে চাল আমদানি করে বাংলাদেশ।
মিয়ানমারের খাদ্যশস্য অ্যাসোসিয়েশন মনে করছে, যেহেতু সরকার-টু-সরকার আলোচনা হচ্ছে তাই শেষ পর্যন্ত এবার চুক্তি হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেন্ডারের প্রয়োজন হবে না।
মিয়ানমার বলছে, ব্যাটে-বলে মিলে গেলে ফেব্রুয়ারি নাগাদ তারা বাংলাদেশে চাল পাঠাতে চায়।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












