বাংলাধারা প্রতিবেদন »
করোনায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য আদায় করা ফি থেকে বিজ্ঞান বিভাগের নিয়মিত একজন শিক্ষার্থী মোট ১ হাজার ৬৫ টাকা ফেরত পাবেন। অন্যদিকে মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা শাখায় একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী পাবেন মোট ৬২৫ টাকা।
শিক্ষা বোর্ডগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে এ অর্থ পৌঁছে দেবে। পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের এই অর্থ ফেরত দেবে।
রোববার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, যেসব পরীক্ষার্থী পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিল তাদের প্রতি পত্রের জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফি থেকে পত্র প্রতি ৩০ টাকা করে এবং ব্যবহারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পত্র প্রতি আরও ১০ টাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে ফেরত দেওয়া হবে।
এছাড়া পরীক্ষার্থীপ্রতি ২০০ টাকা করে এবং আইসিটি বিষয়ক পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত আরও ২৫ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। আইসিটি ছাড়া সব ব্যবহারিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পত্রপ্রতি অতিরিক্ত ৪৫ টাকা করে ফেরত দেওয়া হবে। কেন্দ্র ফি বাবদ ব্যয় না হওয়া অর্থ প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহণ করবে শিক্ষার্থীরা।
এই হিসাব অনুযায়ী বিজ্ঞান বিভাগের নিয়মিত একজন শিক্ষার্থী সর্বমোট ১ হাজার ৬৫ টাকা ফেরত পাবেন। এর মধ্যে শিক্ষাবোর্ড দেবে ৪৮০ টাকা, কেন্দ্রে দেবে ২২৫ টাকা। আট বিষয়ের ব্যবহারিকে ৪৫ টাকা করে মোট ৩৬০ টাকা। মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা শাখায় একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী পাবেন মোট ৬২৫ টাকা।
অন্যদিকে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী যে কয়টি বিষয় লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন সে অনুপাতে টাকা ফেরত পাবেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়। করোনা মহামারির কারণে এবার জেএসসি ও এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার গড় ফলের ভিত্তিতে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন।
বাংলাধারা/এফএস/এআর








