২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘উন্নয়নের পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা; প্রধানমন্ত্রী তা নিশ্চিত করেছেন’

বাংলাধারা প্রতিবেদন  »

বাংলাদেশস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী বলেছেন, উন্নয়নের প্রধান পূর্বশর্ত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা নিশ্চিত করেছেন বলেই বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

বুধবার(০৩ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের টাইগারপাসস্থ অস্থায়ী নগর ভবনে চসিক মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাতকালে শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী একথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরাগান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সবধরনের সহযোগিতা করে ভারত কোন ভুল করে নি । কারণ বাংলাদেশ এখন উদীয়মান শক্তি ।

অনিন্দ্য ব্যানার্জী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত টিআইসি স্থাপনার প্রশংসা করে বলেন, ছোট্ট পরিসরের হলেও এই নাট্যভূমি ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ও নান্দনিক স্থাপনা। আমি সেখানে গিয়ে মুগ্ধ হয়েছি। এর আধুনিকায়ন ও সরঞ্জাম সংযোজনে ভারত দু’কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। পর্যাপ্ত জায়গা ও পরিসর থাকলে আরো বড় অংকের অনুদান দেয়ার আগ্রহ ছিলো।

তিনি কোভিড-১৯ অতিমারী মোকাবেলায় শেখ হাসিনার সুদক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের উচ্চসিত প্রশংসা করেন ।

মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশকে যেভাবে সহয়তা করেছে সেই ঋণ কোন দিন শোধ হবে না। যারা একসময় বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলেছিল তারাই এখন বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ।

তিনি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের চট্টগ্রাম বন্দরের বহমুখী ব্যবহারের মতামতের সাথে সহমত প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বহুমুখী ব্যবহার সকলের জন্য লাভজনক ।

মেয়র আরো বলেন, নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন পরিকল্পিত ভাবে করা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রামে যে মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ চলছে। সে কারনে প্রকল্পের আওতায় খালের কোন কোন স্থানে বাঁধ দেয়ার পানি জমে আছে। এ জন্য মশা প্রজনন হচ্ছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মশার উপদ্রব অনেক লাঘব হবে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।

বাংলাধারা/এফএস/এআর

আরও পড়ুন