১৯ মার্চ ২০২৬

হেফাজতের তহবিল থেকে লক্ষ-লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে বাবুনগরী গং’রা!

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম এর তহবিল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংগঠনের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগ তুলেছেন, হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও অডিটর মাওলানা সলিমুল্লাহ।

মাওলানা সলিমুল্লাহ অভিযোগ তুলে বলেন, বিভিন্ন সময় অভিন্ন ব্যক্তির দেয়া লক্ষ লক্ষ টাকার কোনো হিসাব দেননি বাবুনগরী গংরা।

২০১০ সালে সরকারের নারী নীতির বিরোধীতা করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী প্রতিষ্ঠা হয়েছিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠার জন্ম লগ্ন থেকেই জ্বালাও পোড়াওয়ের রাজনীতি শুরু করে সংগঠনটি।

২০১৩ সালে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চ যখন সরব হয় তখন তার বিরোধীতা করে আবারও আলোচনায় আসে হেফাজত। সেই সময় থেকে নানা বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত জুনায়েদ বাবুনগরী।

মূলত জুনায়েদ বাবুনগরীর ইশারা-ই শাপলা চত্ত্বর কাণ্ড ঘটেছিল। সেসময় হেফাজতের তান্ডব দেখেছিল বাংলাদেশ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে কিছুদিন চুপ থাকলেও আবারও বিষদাঁত বের করেছে বাবুনগরীরা।

এবার এই বাবুনগরীর বিরুদ্ধেই লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সলিমুল্লাহ।

মাওলানা সলিমুল্লাহ বলেন, গত ৭ বছর ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা আর্থিক সহায়তার কোনো হিসেবেই নেই। সদ্যপ্রয়াত সংগঠনটির প্রধান আল্লামা আহমদ শফী অন্তত ৫ বার কমিটি গঠন করেও সংগঠনের কোনো হিসাব বের করতে পারেননি। বারবার বর্তমান আমির এবং তৎকালীন মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী কৌশলে কমিটিগুলো ভেঙে দেন।

হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও অডিটর মাওলানা সলিমল্লাহ বলেন, বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরীকে ইঙ্গিত করে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছেন, তার কাছে তহবিল তছরুপের সব তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

তিনি বলেন, তার চিকিৎসা বাবদ ২০ লাখ টাকা নিয়েছেন, চিকিৎসা বাবদ ২০ লাখ টাকার হিসাব এখন পর্যন্ত দিয়েছেন? আল্লামা শায়খুল ইসলাম আহমদ শফী (র.) যে ২৫ লাখ টাকা ক্যাশ দিয়েছিলেন। এই ক্যাশ কোনো খাতে জমা হয়েছে কি না?

এদিকে সংগঠনের আরেক সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাঈনুদ্দিন রুহীও অভিযোগ করেছেন, তৎকালীন আমির আল্লামা আহমদ শফীকে এড়িয়ে বর্তমান কমিটিতে স্থান পাওয়ারা খালি চেকের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন