বাংলাধারা স্পোর্টস »
শেষ পর্যন্ত গুঞ্জন সত্যি হলো। বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠলো ফুটবলে। ফিফা, উয়েফারদের মত বিশ্ব ফুটবল অভিভাবকদের চোখ রাঙ্গানী উপেক্ষা করে সুপার লিগ আয়োজনের ঘোষনা ইউরোপের তিন লিগের সেরা ১২ ক্লাবের।
রবিবারই ইউরোপের শীর্ষ ১২টি ক্লাব ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা নতুন এই লিগ মাঠে নামাতে যাচ্ছে। যার প্রথম চেয়ারম্যান হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। অংশ নিতে যাওয়া ১২টি ক্লাব হলো- এসি মিলান, আর্সেনাল, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ, চেলসি, বার্সেলোনা, ইন্টার মিলান, জুভেন্টাস, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহাম ও রিয়াল মাদ্রিদ। সবগুলো ক্লাবই যোগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠাকালীন হিসেবে।
বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইউরোপের শীর্ষ ১২টি ক্লাব সপ্তাহের মাঝ দিকে নিজেদের ঘরোয়া লিগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি প্রতিযোগিতা শুরুর বিষয়ে একমত হয়েছে। যার নাম সুপার লিগ, আর পুরো টুর্নামেন্টই দেখভাল করবে এর প্রতিষ্ঠাকালীন ক্লাবগুলো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরে আরও তিনটি ক্লাব যোগ দেবে তাতে। উদ্বোধনী আসর বাস্তবায়নযোগ্য পরিস্থিতি তৈরি হলেই মাঠে গড়াবে।
কিন্তু ক্লাবগুলো এমন সিদ্ধান্তকে ভালো চোখে দেখছেনা ইউরোপের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। জোট বেধেছে প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা, সিরিআ সহ ইউরোপের বড় সব ফুটবল সংস্থা। যে কোন মূল্যে সুপার লিগ পন্ডের ঘোষণা তাদের। শেষ পর্যন্ত যদি তা মাঠে গড়ায় তবে ঘরোয়া ও ইউরোপিয়ান, এমনকী আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে ক্লাবগুলো ও ফুটবলারদের বহিষ্কারের হুমকি উয়েফা, ফিফার।
এদিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ক্লাবগুলোর সিদ্ধান্ত ফুটবলের ক্ষতি ডেকে নিয়ে আসবে। জনসন জানিয়ে দেন, প্রিমিয়ার লিগ যে ব্যবস্থা নেবে তাতে তার সায় থাকবে।
কিংবদন্তি ইংলিশ ফুটবলার গ্যারি নেভিল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। আধুনিকতার নামে সুপার লিগকে তিনি বলেছেন ‘ফুটবলের কলঙ্ক’।
ফিফা এখনো কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে আগেই বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সুপার লিগের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












