১৯ মার্চ ২০২৬

মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শেখ হাসিনা- শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সব খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

নগরীর এলাকায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এইসব কথা বলেন।

এ সময় নওফেল বলেন ,আমরা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহানুভবতার রাজনীতি করেন। তিনি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী না। তিনি যদি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন তাহলে করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়ার চিকিৎসার খবর নিতেন না।

কুশে আগস্টের নারকীয় গ্রেনেড হামলার কথা উল্লেখ করে বলেন , ‘এটা বাংলাদেশে কারও পক্ষে সম্ভব না। যিনি হত্যা করতে চেয়েছেন, তাকে মানবিকতা দেখানো, এটা শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব এবং তিনি সেটা পারেন কারণ তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, তার বিশাল হৃদয় আছে। যার নির্দেশে এই হামলাকারীরা ভুয়া পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে পেরেছিল, সেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন।’

শুধু তাই নয় বিএনপির অনেক নেতাকর্মীও আমাদের ব্যক্তিগতভাবে বলেন , শেখ হাসিনা আজ শুধু দলীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই, তিনি ১৭ কোটি মানুষের একমাত্র নেতাই পরিণত হয়েছেন’।

এ​ময় সমবেতদের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরভাবে দ্বীনে ইসলামের চর্চা করে যাচ্ছেন। তিনি রাসূলের জীবনাদর্শ, রাসূল যে নির্দেশনা রেখে গেছেন, সেটা অনুসরণ করে নিজেকে পরিচালনা করেন। তাই তার পক্ষেই একমাত্র সম্ভব, যারা তাকে হত্যা করতে চেয়েছে, তাদেরকেও মানবিক দৃষ্টিতে তিনি দেখেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি সাধারণ মানুষের মতোই জীবনযাপন করেন। সুতরাং সাধারণ মানুষের দুঃখকষ্ট তিনি অবশ্যই বোঝেন। আপনারা শুধু শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করুন, বাংলাদেশ সরকার-আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে আছে।’

উল্লেখ্য, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গত বছরের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান। এরপর থেকে তিনি ঢাকার গুলশানে নিজের ভাড়া করা বাসা ‘ফিরোজায়’ থাকছেন। গত ১৪ এপ্রিল খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুমতি দিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছে তার পরিবার। এদিকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার আবেদন নিয়ে দিনভর আলোচনার মধ্যে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালে।

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন