বাংলাধারা প্রতিবেদন »
সোমবার মধ্যরাত থেকেই থেমে থেমে কখনও ভারী, আবার কখনও হালকা বর্ষণ হচ্ছে। টানা বেশ কয়েক দিন তীব্র গরমের পর বৃষ্টিতে জনমনে স্বস্তি আসলেও নগরীর ও নগরের বাইরে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা শঙ্কিত।
বেশিরভাগ খাল-নালা আবর্জনায় ভরাট, অন্যদিকে খালের মুখে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের স্লুইসগেটের চলমান কাজসহ নানা কারণে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তাদের।
৩১ মে (সোমবার) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস ১২৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।
মধ্যরাত থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১২৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতে নগরীর হালীশহরের নয়বাজার বিশ্বরোড, সরাইপাড়া, সিডিএ আবাসিক, শান্তিবাগ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, খাতুনগঞ্জসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
এদিকে বৃষ্টির কারণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সড়কগুলোতে কমে গেছে যানবাহন চলাচল। যার ফলে জনবসতিপূর্ণ এলাকার মোড়গুলোতে অফিসগামী যাত্রীদের জটলা দেখা গেছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী বাংলাধারাকে জানান, থেমে থেকে ভারী ও হালকা বৃষ্টিপাত কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, সমস্ত নদী বন্দরকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রোববার (৩০ মে) টাইগারপাসে চসিকের অস্থায়ী কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নগরের প্রাকৃতিক খালগুলোর অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা ও মনিটরিং নিয়ে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির দ্বিতীয় সভায় মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী নির্দেশ দেন, চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেঘাপ্রকল্পের কাজে খালে দেওয়া বাঁধ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কেটে দিতে হবে। না হলে শুরু হতে যাওয়া বর্ষাতে নগর জলাবদ্ধতায় ডুবে যাবে। যার নমুনা ঈদের দিনে এক ঘণ্টা বৃষ্টিতে টের পাওয়া গেছে।
এসময় মেয়র আরও বলেছিলেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে পুরোপুরি মুক্তি দিতে এত বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। যদি প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রীর একটি সদিচ্ছার অপমৃত্যু হবে এবং টাকারও অপচয় হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












