১৩ মার্চ ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গর্তের সৃষ্টি

সাদমান সময়  »

চারদিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের লাইফলাইন ঢাকা-চট্টগ্রাম ৪ লেইন মহাসড়কের মিরসরাইয়ের দারোগারহাট থেকে ধুম ঘাট পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে শতাধীক ছোট বড় গর্তের। এতে করে যানবাহন চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশংকা। ক্ষতি হচ্ছে সব ধরনে পরিবহনের যন্ত্রাংশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে গর্তগুলো সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন পরিবহনের চালকরা। গতকাল রবিবার ১ আগষ্ট ছবিটি মিঠাছড়া এলাকা থেকে তোলা হয়েছে।

জানা গেছে, গত চারদিন মুষলধারে বৃষ্টিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ৪ লেইন মহাসড়কের মিরসরাইয়ের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তগুলো পর্যায়ক্রমে বড় হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার বড় দারোগারহাট থেকে ধুমঘাট ব্রীজ পর্যন্ত মহাসড়কের ২৮ কিলোমিটারের বিভিন্ন পয়েন্টে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কের মস্তাননগর বিশ্বরোড অংশ, বারইয়ারহাট, চিনকী আস্তানা, বিএসআরম গেইট, মিঠাছরা, বড়তাকিয়া, নয়দুয়ার, নিজামপুর ও বড়দারোগারহাট অংশে নির্দিষ্ট দুরত্বে গর্ত দেখা যায়। গর্তের কারণে মহাসড়কে দূরপাল্লার গাড়িগুলো চলছে ধীরগতিতে। মহাসড়কে সৃষ্ট গর্তগুলো দ্রুত সময়ের সংস্কার না করা হলে তা আকারে বড় হয়ে যেতে পারে। অভারলোড গাড়ি চলাচলের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উঁচু-নীচু হয়ে যায়। এতে করে মহাসড়কের মাঝখানে পানি জমে যায়। জমে থাকা পানি থেকে মূলত খানাখন্দের সৃষ্টি হয়।

সিএনজি-অটোরিক্সা চালক সবুজ বলেন, লকডাউনের সময়ে সড়কে যাত্রী নিয়ে চলাচল করছিলাম। কিন্তু গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি মিরসরাইয়ের পুরো অংশে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। গর্তের মধ্যে গাড়ি পড়ে অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে।

মিনিট্রাক চালক মো. হোসেন বলেন, কয়েকদিন বৃষ্টি হলেও মহাসড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। আমি প্রতিরাতে মুহুরী প্রজেক্ট থেকে মাছ নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন আড়তে নিয়ে যাই। কিন্তু গত কয়েকদিন গর্তের কারণে রাতের বেলায় গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মহাসড়কে গাড়ী চলে ধীরগতিতে। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে খানাখন্দের বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগকে তিনি অবহিত করেছেন বলে জানান।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডি) রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, টানা বৃষ্টির ফলে মহাসড়কের কিছু কিছু অংশে এমন খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে তা সংস্কার করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাধারা/এফএস/এআর

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ