সাদমান সময়, মিরসরাই প্রতিনিধি »
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা সদরের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে গঠিত মিরসরাই পৌরসভা। এই ২য় শ্রেণীর পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০০ সালের শেষের দিকে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়ন দৃশ্যমান।
কিন্তু পৌরসভার সদরে মহাসড়ক সংলগ্ন ৫ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোমিনটোলা হাউজিং সংলগ্ন সড়ক, মিরসরাই থানা সংলগ্ন তাকিয়া বাড়ি সড়ক এবং মাতৃকা হাসপাতাল সড়কের দুর্ভোগ আজও কাটেনি। এসব এলাকা মূলত পৌরসভার হাউজিং এলাকা। বাড়ির মালিকরা নিয়মিত হোল্ডিং টেস্ক পরিশোধ করলেও রাস্তার দুর্ভোগ কাটেনি তাদের।
দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বর্ষায় রাস্তাগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তার ইটগুলো সরে গেছে, সামান্য বৃষ্টিতে কাদাপানি একাকার। বৃষ্টি হলেই পৌরসভার মাতৃকা হাসপাতাল রোড়ে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার যার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের।
মোমিনটোলা হাউজিং এলাকার ভাড়াটিয়া আরমান হোসেন নিলয় বলেন, সামান্য বৃষ্টিতে এখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বাড়িওয়ালাদের গাফিলতি আর জনপ্রতিনিধিদের সুনজর নেই। যার কারণে পৌরসভার সদরের হাউজিং এলাকার রাস্তাগুলোর এমন দুর্দশা কাটছে না।
পৌরসভার মাতৃকা হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা মো. রাফি জানায়, হাউজিং এলাকা থেকে পৌরসভা রাজস্ব আদায় করছে কিন্তু আমাদের জন্য কার্যকর কোন কাজ করতে দেখছি না। সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে যায়। জমে থাকা পানি মাড়িয়ে আমাদেও চলাচল করতে হয়।
মিরসরাই পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহির উদ্দিন বলেন, পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়ন দৃশ্যমান তবে যেখান থেকে বছরে লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয় কিন্তু দীর্ঘদিন হাউজিং এরিয়াতে দৃশ্যমান কোন কাজ নেই। আমরা জনপ্রতিনিধি প্রতিনিয়ত জবাবদিহিতার সম্মুক্ষীণ হতে হয় । মেয়র যদি আন্তরিক হয় তাহলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর হতে সময়ের ব্যাপার।
এ বিষয়ে মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন, মাতৃকা হাসপাতাল রোডের জলাবদ্ধতার মূল কারণ সওজের ড্রেন। আমি চাচ্ছি ড্রেনটির মুখ অছি মিয়ার ব্রিজের দিকে নিয়ে যেতে। তাহলেই এই জলাবদ্ধতার সমাধান হবে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বার বার চিঠি দিয়েছি এমপি মহোদয়ের ডিও দিয়েছি। অন্যদিকে মোমিনটোলা সড়কটির প্রপোজাল দিয়েছি ইস্টিমেট পাঠিয়েছি। বরাদ্দ আসুক তারপর টেন্ডার দেয়া হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












