বাংলাধারা প্রতিবেদন »
ফেনীতে দুবাই প্রবাসী মো. সোহেল (৩৫) কে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত পলাতক স্ত্রী রোকেয়া আকতার শিউলী (২৮) কে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
জানা যায়, শিউলীকে আটক করার সময় দুই সন্তানকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত ওই প্রবাসী সোহেল (৩৫) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের খাটরা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
শনিবার (২১ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চাচার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে র্যাব-৭। পরে রোকেয়া আক্তার শিউলী’র দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ফেনীর নাজির রোড এলাকার চৌধুরী সুলতানা ভবন সংলগ্ন কুচুরিপানার ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, রোকেয়া আক্তার শিউলী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন।
র্যাব আরও জানায়, সোহেল ও তার স্ত্রী শিউলি আগে থেকে ফেনী জেলার সদরের ওই বাসায় ভাড়ায় থাকতো। গত ১৬ আগস্ট সোহেল দুবাই থেকে বাংলাদেশে আসে। এরপর সোহেলের পরকিয়া নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ২০ আগস্ট শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার সময় স্ত্রীকে মৌখিক তালাক দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী শিউলি পেছন দিক থেকে দা দিয়ে সোহেলকে কুপিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করে।
পরবর্তীতে শিউলি আনুমানিক রাত ১টার সময় দারোয়ানকে তার বাবা মারা গেছে বলে দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
র্যাব আরও জানায়, শিউলি হত্যাকাণ্ডের পরপরই ট্রেন যোগে চট্টগ্রামে অবস্থান করে এবং সকালে ফটিকছড়িতে পৌঁছে। সারাদিন ফটিকছড়িতে থেকে রাতে আবার কুমিল্লায় চাচার বাড়িতে আত্মগোপন করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল ১২ বছর যাবত দুবাই প্রবাসী। আট বছর আগে দেশে ফিরে শিউলি আক্তারকে বিয়ে করেন। এরপর আবার দুবাই চলে যান। ১৬ আগস্ট তিন মাসের ছুটি নিয়ে দুবাই থেকে দেশে ফিরেছিলেন সোহেল।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












