বাংলাধারা প্রতিবেদন »
‘মেগা প্রকল্প বাস্তবায়রে ক্ষেত্রে যে সমস্যা ও প্রশ্নগুলো প্রকট প্রতীয়মান হচ্ছে তা কখনো প্রতিবদ্ধকতা হয়ে দাঁড়াবে না। পারস্পরিক সমন্বয়, সহযোগিতা এবং বাস্তবতা বিবেচনার নিরীখে যে সিদ্ধান্তটি গ্রহণযোগ্য তাই আমলে আনবেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ। এ ক্ষেত্রে টাইগারপাসের নান্দনিক সৌন্দর্য রক্ষায় চসিকের দায় যেটুকু আছে তা প্রয়োগ ও গ্রহণে কোন ব্যত্যায় ঘটবে না।’
‘চট্টগ্রাম নগরী থেকে বিমান বন্দর পর্যন্ত এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কোনভাবেই যাতে বাধাগ্রস্থ না হয় এবং পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষায় প্রতিকুল ও ক্ষতিকারক প্রভাব না ফেলে সে ব্যাপারে যারা সচেতন হয়েছেন তাদের মতামতকে অবশ্যই গুরুত্ব দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি। তবে এ-নিয়ে এমন কোন অপরিমানদর্শী প্রতিক্রিয়াও কাম্য নয়।’
মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম ঐতিহ্য রক্ষা পরিষদের পক্ষ থেকে লালখান বাজার হতে পতেঙ্গা বিমান বন্দর পর্যন্ত নির্মানাধীন ফ্লাইওভার প্রকল্প থেকে ঐতিহাসিক ও নান্দনিক সৌন্দর্য্যরে টাইগারপাস থেকে বাদ দেওয়ার দাবী সম্বলিত একটি স্মারকলিপি গ্রহণকালে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী একথা বলেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে যত বড় প্রকল্প করা হোক না কেন এর কার্যকারিতা, প্রভাব এবং গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু বাস্তবাসম্মত সে-ব্যাপারে মেয়রের মতামত যথেষ্ট প্রানিধানযোগ্য। সুতরাং মেয়র এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ও নান্দনিক সৌন্দর্য রক্ষায় টইগারপাসের সংযুক্তি বাদ দেয়ার দাবীর যথার্থতা উপলব্ধি করবেন এবং এ ব্যাপারে জনমতের ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটাবেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন-পরিষদের সদস্য সচিব জসিম চৌধুরী সবুজ, মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া, সম্বনয়কারী মুজিবুল হক শুক্কর, সাবেক কাউন্সিলর মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রমুখ।
বাংলাধারা/ এফএস/এআই












