২৭ মার্চ ২০২৬

চন্দনাইশ সাতবাড়িয়ায় আখের বাম্পার ফলন, খুশি চাষিরা

মাঈন উদ্দীন, চন্দনাইশ প্রতিনিধি »

চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে প্রায় ৩০ একর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। এলাকার মাটি আখ চাষের উপযোগী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত রংবিলাশ, গেন্ডারি, বোম্বাই, দেশি জাতের আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তারা। তবে দেশি জাতের আখ চাষ এখন অনেকটা কমে গেছে।

ইউনিয়নের নাসির চর, হাছনদন্ডী উত্তরের চর, মাস্টার দিঘীর পাড়, খাগরিয়ার চরে আখ চাষ করে এখন তারা স্বাবলম্বী হয়েছেন। রোগ বালাইয়ের তেমন একটা ক্ষতি না হলে, এক একরে ২-৩ লক্ষ টাকার আখ বিক্রয় করা যায়। উৎপাদন খরচ ৫০-৬০ হাজার টাকা বাদে একরে ২ লাখের বেশি টাকা লাভ হয়।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের মোহম্মদ খালী গ্রামের কৃষক ইলিয়াস জানান, রংবিলাশ জাতের আখের চাহিদা বেশি তাই অনেকে এ জাতের ফসল চাষ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে চিনিকলগুলো এ জাতের আখ বেশি কিনে। তাছাড়া মুখে অথবা কলে চিবিয়ে খেতেও সহজ।

জানা যায়, প্রান্তিক কৃষকরা অনেক সময় ফসলের সঠিক মূল্য পান না। যেহেতু তারা স্থানিক বেপারির কাছে বিক্রি করে। আর বেপারিরা তা শ্রমিক দিয়ে কেটে চট্টগ্রাম শহর, রামু, কক্সবাজার, টেকনাফসহ বিভিন্ন বিক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

একই ইউনিয়নের কৃষক মো. ইলিয়াস বলেন, গত ১০ বছর ধরে দেড় হতে দুই বিঘা জমিতে আখ চাষ করে থাকি। এবারে তিন বিঘা জমিতে চাষ করেছি। ভালো ফলন হয়েছে। প্রায় ৪ লক্ষ টাকা বিক্রি করেছি।

আখ চাষি আয়ুব আলী, মির আহম্মদ, বাদশা মিয়া ও মদন আলী জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আখ চাষ করেছেন তারা। স্থানীয় পাইকাররা তাদের ক্ষেত থেকে আখ ক্রয় করে নিয়ে যায়। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবারে তেমন একটা রোগ বালাই দেখা দেয়নি। দামও ভালো পেয়েছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি লাভের আশা করছেন তারা।

বাংলাধারা/এআই

আরও পড়ুন