শাহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত »
চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ভূমিকা আগের মতোই নিরব। নেয়া হয় নি কোনো কার্যক্রম। তবে করোনার এই সময়ে চট্টগ্রাম নগরে আবারো সচল হতে শুরু করেছে ক্রীড়াঙ্গন। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত লীগগুলোকে সামনে রেখে প্রশিক্ষণ শুরু করেছে চট্টগ্রামের ক্লাবগুলো।
অন্যদিকে মিরসরাই উপজেলার ক্রীড়া সংস্থা নামের ভেতর সীমাবদ্ধ। ৭ বছর পর ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম ২য় বিভাগ ফুটবলে লীগে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে অংশগ্রহণ করে মিরসরাই স্পোর্টিং ক্লাব। ২০১৯ সালে সিজিকেএস তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে অংশগ্রহণ ওই ক্লাবটি। উপজেলার জোরারগঞ্জ আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিয়মিত প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন বিভোর কিছু তরুণ। তবে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার দায়িত্বশীলদের নজর না থাকায় হতাশ তারা।
২০২০ সালে মিরসরাইয়ের ৩ জন ক্রিকেটার সীতাকুণ্ড উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা হয়ে দলবদলের মাধ্যমে ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। তিন ক্রিকেটার আহমেদুল হোসাইন সৌরভ, ছায়েদ আনোয়ার বাবু, দাউদ আরমান ১ম বিভাগ ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স করলেও মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কোনো খবরই ছিলো না। এই তিন ক্রিকেটারের ক্রিকেট যাত্রা থমকে আছে।
দীর্ঘ সময় ধরে মিরসরাইয় উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্বে আছেন কামরুল আহসান হাবিব। তবে দীর্ঘ এসময়ের মধ্যে মিরসরাই ক্রীড়াঙ্গনে আসেনি কোনো পরিবর্তন। কিছু খেলোয়াড় নিয়মিত প্রশিক্ষণ করলেও দায়িত্বশীলদের নজর না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কয়েকজন খেলোয়াড়।
এই বিষয়ে জানতে তার সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ এবং ফুটবল কোচ মো. দিদার বাংলাধারাকে বলেন, ‘মিরসরাইয়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, মাঠ আছে। তবে আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকার কারণে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে খেলোয়াড় ওঠে আসা কষ্টসাধ্য।’
মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বাংলাধারাকে জানান, ‘করোনাকালে খেলাধূলা হয় নি। আমার যোগদানও করোনাকালে। সিজেকেএস এর লীগ গুলোকে সামনে রেখে আমরা অতিশীগ্রই মিটিং কল করে এই বিষয়ে কার্যক্রম হাতে নিবো।’
বাংলাধারা/এফএস/এআই












