২৭ মার্চ ২০২৬

চন্দনাইশে নিউমোনিয়ার প্রাদুভার্ব

চন্দনাইশ প্রতিনিধি»

চন্দনাইশে মহামারি করোনার পাশাপাশি নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও মৌসুমি জ্বর বেড়েছে। চিকিৎসকরা এসব রোগে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।

পৌরসভাসহ উপজেলার অধিকাংশ ফার্মেসিতে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। ফার্মেসি মালিকরা বলছেন, অধিকাংশ কোম্পানি বর্তমানে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ও সিরাপ চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করতে পারছে না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, চন্দনাইশে করোনার পাশাপশি সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া ও মৌসুমি জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে শিশুরা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। প্রতিদিন চন্দনাইশ ও দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে নারী, শিশুসহ পাঁচ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। বর্তমানে নারী ও শিশু ওয়ার্ডে নিউমোনিয়া রোগী ভর্তি রয়েছে সত্তর জনেরও বেশি।

স্বাস্থ্যকর্মী রাসেল বসাক বলেছেন, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গড়ে ১৫ জন শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। ফলে ফার্মেসিগুলোতে এসব ওষুধ বিক্রির হিড়িক পড়েছে। কিন্তু প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড, নাপা ওয়ানগ্রাম ট্যাবলেট ও সিরাপ সরবরাহ নেই বললেই চলে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকরা প্যারাসিটামলের পাশাপাশি নাপা এক্সটেন্ড খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু ট্যাবলেট কিনতে গেলেও কোনো ফার্মেসিতে পাচ্ছেন না তারা।

পৌরসভার বিভিন্ন ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেক্সিমকো, স্কয়ার, রেনাটা, এসকেএফ, এসিআই, হেলথকেয়ার, একমি, এরিস্টোফার্মা, ইনসেপটাসহ অধিকাংশ ফার্মসিউটিক্যালস কোম্পানির প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ও সিরাপ সরবরাহ রয়েছে চাহিদার তুলনায় অনেক কম।

ফার্মেসির কর্মরতরা অনেকে জানান, কয়েক মাস ধরে নাপা, নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড ট্যাবলেট ও সিরাপ সরবরাহ নেই বললেই চলে। বেক্সিমকো, স্কয়ার, রেনাটা, এসকেএফ, এসিআই, হেলথকেয়ার, একমি, এরিস্টোফার্মা, ইনসেপটাসহ অধিকাংশ ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ও সিরাপ সরবরাহ অত্যন্ত কম। কাঁচামালের সংকটের কারণে নাপা গ্রুপের সব প্রোডাক্টই কোম্পানি চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করতে পারছে না বলে জানালেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আবু রাশেদ বলেছেন, করোনা, নিউমোনিয়া, মৌসুমি জ্বরের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। এতে হঠাৎ বাজারে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ সরবরাহ অত্যন্ত কম হওয়ায় রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

বাংলাধারা/এফএস/এফএস

আরও পড়ুন