বাংলাধারা প্রতিবেদন»
শান্তিপূর্ণভাবে চলছে চসিকের ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। ইভিএমের মাধ্যমে ১৫টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে।
বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অন্তত ১০ টি ভোটকেন্দ্রে দেখা গেছে, ভোটারের উপস্থিতি তুলনামূলক কম।
প্রিজাইডিং অফিসারদের তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রে গড়ে ৫ থেকে ৮ শতাংশ ভোট হয়েছে।

এছাড়া সকাল থেকে প্রার্থী ও ভোটারদের পক্ষ থেকে কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বীর উত্তম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সামান্য উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। একই মিলনায়তনের খোলা বারান্দায় পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণে জায়গা সংকুচিত থাকায় বসার জায়গা পাচ্ছিলেন না পোলিং এজেন্ট ও প্রার্থীর এজেন্টরাও। সেটিকে কেন্দ্র করে হৈ চৈ দেখা দেয়। বসার জায়গা না থাকায় দুই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদেরকেও এদিক-সেদিক হাঁটতে দেখা যায়।
উল্লেখ্য, কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টু মৃত্যুবরণ করার পর এই ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে বিএনপি একজন এবং আওয়ামী লীগের ২০জন প্রার্থী রয়েছেন।

তারা হলেন- যুবলীগ নেতা নূর মোস্তফা টিনু (মিষ্টি কুমড়া), মো. সামশেদ নেওয়াজ রনী (ঘুড়ি প্রতীক), মো. নাজিম উদ্দীন (কাঁচি), বিএনপির একক প্রার্থী এ কে এম সালাউদ্দিন কাউসার লাবু (হেডফোন), মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মমতাজ খান (পান পাতা), কাউন্সিলর সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টুর স্ত্রী মেহেরুন্নিছা খানম (ড্রেসিং টেবিল), মো. আলী আকবর হোসেন চৌধুরী (কাঁটা চামচ), মো. সেলিম রহমান (ঠেলাগাড়ি), কায়ছার আহমেদ (প্রদীপ), মো. আবুল কালাম চৌধুরী (সূর্যমুখী ফুল), শওকত ওসমান (এয়ারকন্ডিশনার), মো. নোমান চৌধুরী (ট্রাক্টর), মো. শাহেদুল আজম শাকিল (ক্যাপ), মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন (রেডিও), মো. আজিজুর রহমান (হেলমেট), মো. আব্দুর রউফ (ব্যাডমিন্টন র্যাকেট), মো. নুরুল হুদা (ঝুড়ি), কাজী মুহাম্মদ ইমরান (লাটিম), মো. রুবেল ছিদ্দিকী (করাত), মো. আলাউদ্দিন (টিফিন ক্যারিয়ার), মোহাম্মদ জাবেদ (স্ট্রবেরি)।

চকবাজার ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩২ হাজার ৪১ জন। পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ২১৬ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৮২৫ জন। ১৫টি ভোটকেন্দ্রে ৮৬টি ভোটকক্ষ। ভোটগ্রহণের জন্য ১৫ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৮৬জন সহকারী প্রিসাইডিং ও ১৭২জন পোলিং কর্মকর্তাসহ ২৭৩ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












