২৭ মার্চ ২০২৬

শ্বাশুড়ি হত্যা ও শ্যালিকার হাত বিচ্ছিন্নের দায়ে জামাতার ৪০ বছরের স্বশ্রম কারাদন্ড

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»

কক্সবাজারের টেকনাফে শ্বাশুড়িকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা এবং দায়ের কোপে শ্যালিকার হাত বিচ্ছিন্ন করার ৮ বছর পর জামাতাকে ৪০ বছরের স্বশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে আসামী শামসুল আলমের উপস্থিতিতেই শ্বাশুড়ি হত্যার দায়ে ৩০ বছর এবং শ্যালিকার হাত বিচ্ছিন্ন করার অপরাধে ১০ বছরের স্বশ্রম কারাদন্ডাদেশ ঘোষণা করেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল।

২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর দিন দুপুরে সীমানা বিরোধের জেরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়ায় ওই ঘটনা ঘটেছিল।দন্ডাদেশপ্রাপ্ত শামসুল আলম ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়া গ্রামের মৃত জহির আহম্মদ মিস্ত্রীর ছেলে।

নিহতের স্বামী ও মামলার বাদী আবদুল গফুর বলেন,  শামসুল আলম আমার মেয়ের স্বামী ও আমার প্রতিবেশী। তাদের সাথে আমাদের সীমানা বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই প্রকাশ্যে দিবালোকে আমার স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা এবং আমার ছোট মেয়ের হাত বিচ্ছিন্ন করে শামসুল। এনিয়ে আমি মামলা করি। দীর্ঘ আট বছর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বুধবার মামলার রায় হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারী কৌসলী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, হত্যা ও হত্যা চেষ্টা আইনের ৩ টি ধারায় শামসুল আলমকে পৃথকভাবে ৪০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। হাত বিচ্ছিন্ন করার দায়ে ৩২৬/৩০৭ ধারায় ১০ বছর এবং হত্যার দায়ে ৩০২ ধারায় ৩০ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। তাকে মোট ৪০ বছরই কারাভোগ করতে হবে বলে উল্লেখ করে পিপি আরো বলেন, আদালতের রায়ে বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

বাংলাধারা/এফএস/এফএস

আরও পড়ুন