২৭ মার্চ ২০২৬

‘গৌরি’ নিয়ে আসছেন বর্ণ নাথ

বিনোদন ডেস্ক»

গৌরিদি পাঁচ বছর আগে ছিল যাত্রাদলের নায়িকা। দীর্ঘ পনের বছর যাত্রামঞ্চ দাপিয়ে বেড়ানো গৌরি কুমারী। পূজা যায় পূজা আসে এই দুইটি প্রাণীর অবস্থার পরিবর্তন হয় না। মেয়ে লক্ষীকে স্বপ্ন দেখায় তার বাবা ফিরে এসে সকল অভাব দূর করে দিবে। গৌরিও বিশ্বাস করে স্বামী রামচরন একদিন না একদিন আসবেই।

রামচরন ও গৌরি একই যাত্রাদলে কাজ করতো। ভালোবেসে ভগবানকে স্বাক্ষী রেখে বিয়ে করেছিল তারা। লক্ষীর বয়স যখন চার তখন হঠাৎ একদিন হারিয়ে যায় রামচরন। গৌরি স্বামীর জন্য শহরে এক বছর অপেক্ষা করে মেয়ে লক্ষীকে সাথে নিয়ে গ্রামে চলে আসে।

গৌরি গ্রামের রতন কর্মকার ও ভুপাল ঘোষের বাড়িতে দাসিগিরি করে। রতন কর্মকারের চরিত্র খুবই খারাপ।গৌরিকে খারাপ খারাপ প্রস্তাব দেয়। একদিন বাসায় কেউ নেই এই সুযোগে গৌরিকে জোর করে ভোগ করতে চায়। অনেক কষ্টে গৌরি রতনের হাত থেকে ছুটে আসে। ভুপাল কিপটা, লক্ষীর জন্য একটা নতুন জামা চাওয়ার অপরাধে হঠাৎ অষ্টমীর দিন গৌরির চাকরী নট করে দেয় ভুপাল। এরপর আর কোন বাড়িতে কাজ পায় না গৌরি। যেখানেই যায় অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। লক্ষীকে গৌরির অবৈধ সন্তান বলে অভিযোগ আনে। নষ্টা মেয়ে ছেলে বলে গৌরিকে একঘরে করে দেয়।

গ্রামের মানুষ কেন এমন করছে তা গৌরি সহজেই বুঝে ফেলে। এতদিন জানতো শুধু রতন কর্মকারই তাকে চায়। এখন দেখে ভুপালসহ গ্রামের অনেকেই তাকে ভোগ করতে চায়। ঠিক তখনই অসহায় গোরির পাশে এসে দাঁড়ায় গ্রামের প্রভাবশালী বিকাশ চৌধুরী। গৌরিকে তার ইটভাটায় চাকরী দেয়। দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো মানুষটির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে গৌরি।

ইটভাটার অফিস রুমটার মধ্যে হঠাৎ বিকাশ গৌরিকে জড়িয়ে ধরে। বিকাশের কাছে সপে দেয় নিজেকে। হঠাৎই একদিন গৌরি অনুভব করে সে প্রেগনেন্ট।

গৌরি বিষয়টি বিকাশকে জানালে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। এক কান দুই কান হতে হতে পুরা গ্রামই জেনে যায়। বিকাশ নিজের সম্মান বাঁচাতে গৌরিকে গ্রাম ছাড়া করার ব্যবস্থা করে।বাচ্চা মেয়ে লক্ষীর আকুতিতে কেউ কি গৌরিকে বাঁচাতে এসেছিলো সেদিন? স্বামী রামচরনের শেষ দেখা কি পেয়েছিল গৌরি? গৌরির শেষ পরিণতি দেখতে পুরো নাটকটা দেখার আমন্ত্রণ রইলো।

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজনীন চুমকি, আরমান পারভেজ মুরাদ, আহসান হাবীব নাসিম, শাহানা সুমি,কাজী রাজু,মুশফিক শুভ,খায়রুল ইসলাম,নূর আলম নয়ন প্রমূখ।

সোহাগ আগমেদের গল্পে,স্বাধীন শাহ্’র রচনায় ‘গৌরি’ পরিচলনা করেছেন হালের ব্যস্থতম নির্মাতা বর্ণ নাথ। নাটকটি দেখতে পাবেন ১৬ অক্টোবর অক্টোবর রাত ১০ টায় একুশে টেলিভিশনের পর্দায়।

বাংলাধারা/এফএস

আরও পড়ুন