খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি»
সারা দেশে মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর হিন্দুবাড়িতে অগ্নিসংযোগ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যােগে ‘সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরের দিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ, এ সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রার নেতৃত্বদেন পার্বত্য চট্রগ্রাম ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা)কুজেন্দ্র লাল এিপুরা এমপি ও পার্বত্য চট্রগ্রাম সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মিজ বাসন্তি চাকমা।
দুপুরের দিকে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগে দলীয় কার্যালয় থেকে শান্তি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি জেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে এসে সম্প্রীতি সমাবেশ করে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা রনবিক্রম এিপুরা, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কল্যাণ মিএ বড়ুয়া, জেলা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মংক্যাচিং মারমা, জেলা আওয়ামীলীগের নেতা এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক এমএ জব্বার,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো:দিদারুল আলম,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পার্থ এিপুরা জুয়েল,পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য শতরুপা চাকমা, জেলা আওয়ামীযুবলীগের সাধারন সম্পাদক কেএম ইসমাইল হোসেন সহ আ,লীগের অঙ্গসংগঠন ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সম্প্রীতি সমাবেশে বক্তারা বলেন,এদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মানুষ। তাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দিতে হবে। এজন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা এবং দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্হানে দূর্গাপূজায প্রতিমা ভাংচুর সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ হত্যার জন্য বিএনপি -জামাত জোটকে দায়ি করে বিচারে দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












