আনোয়ারা প্রতিনিধি»
আনোয়ারায় বিপদজনক কৃমিনাশক ইনজেকশনে এক খামারির ২২ টি ভেঁড়া মারা গেছে।
গত বুধবার দুপুরে উপজেলার বারশত ইউনিয়নের পারকি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ভেড়াগুলো স্থানীয় খামারি নুরুল আনোয়ারের। পশু চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেন তার সহকারী মো. হাসানের মাধ্যমে কৃমিনাশক ওষধ নাইট্রোনেক্স দেওয়ার পর ভেঁড়া গুলো মরতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন নুরুল আনোয়ার। তবে, পশু চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলার প্রস্ততি চলছে বলে জানা গেছে।
খামারি নুরুল আনোয়ার জানান, খামারের ভেঁড়াগুলো অসুস্থ হলে বৈরাগ ইউনিয়নের পশু চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেনের শরনাপন্ন হন তিনি। চিকিৎসক হোসেনের পরামর্শে তিনি কৃমিনাশক ওষুধ নাইট্রোনেক্স ওষুধ কিনে আনেন। চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেন তার সহকারী হাসানের মাধ্যমে বুধবার সকাল ১০ টার দিকে ওষুধ টি ৩০ টি ভেঁড়ার মধ্যে পুশ করার ২ ঘন্টা পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২২ টি ভেঁড়া মারা যায় এবং আরো ৪/৫টি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তিনি আরো জানান, আনোয়ারা উপজেলা পশু কর্মকর্তার পরামর্শে অন্য ওষুধ দেওয়ার পর কিছু ভেঁড়া সুস্থ হয়ে উঠে। তিনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান।
এ ব্যাপারে চিকিৎসক মোহাম্মদ হোসেন ভূল চিকিৎসার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইনজেকশন আমি লিখে দেয়নি। খামারি নুরুল আনোয়ার ইনজেকশন নিয়ে আসলে আমার সহকারী কৃমিনাশক ওষুধ নাইট্রোনেক্স ভেঁড়ার মধ্যে পুশ করেছে।
আনোয়ারা উপজেলা পশু চিকিৎসক মো. দেলোয়ারা হোসেন জানান, নাইট্রোনেক্স কৃমিনাশক ওষুধ বিপদজনক। কোন দুর্বল পশুর মধ্যে এ ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। বেশি জরুরী হলে ২৫ কেজি ওজনের পশুর মধ্যে এ ওষুধ ১ এমএল দেওয়া যেতে পারে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ জানান, পারকির নুরুল আনোয়ারের ২২ টি ভেঁড়া মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












