শাহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত»
দেশের বৃহৎতম শুল্কস্টেশন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বারান্দা গুলোতে জমা হয়েছে অজস্র ফাইলের স্তুপ। পণ্য আমদানি রপ্তানির কাজে ব্যবহৃত হাজার পৃষ্ঠার নথি কাজ শেষে ফেলা রাখা হয়।ফলে মাঝে মাঝে কাস্টমসে আসা ব্যক্তিদের জন্য পথ চলতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
জায়গায় সংকুলানের অভাবে এসব নথি কিংবা কাগজ গুলো পুড়িয়ে ফেলতো কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এখানে প্রায় ১০ লাখের পৃষ্ঠারও বেশী পুড়িয়ে ধ্বংস করা হতো। করোনার কারণে আগে থেকে আরো বেশী স্তুপ জমা হয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে। তবে এবার পরিত্যক্ত কাগজ পত্র গুলো না পুড়িয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এসব নথি গুলো কিনে নিচ্ছে নারায়ণগঞ্জের সোনালী পেপার মিল লিমিটেড। এসব কাগজ পত্রের মাধ্যমে যেভাবে নতুন কাগজপত্র তৈরী করা যায় আবার একই ভাবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে সরকার। তাছাড়া এড়ানো যাবে পরিবেশ দূষণ।

জানা যায়, ৩৩ হাজার কেজি কাগজ ১৬ টাকা দরে কিনে নিয়েছে নারায়ণগঞ্জের সোনালী পেপার মিল পেপার গুলো বিক্রির জন্য আলাদা করে কমিটি করে নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। যুগ্ম কমিশনার (জেটি) তোফায়েল আহমদকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার আগেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সে সময় কমিটির প্রধান ছিলেন চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার (জেটি) শামসুজ্জামান। প্রতি অর্থবছরের শেষে কাস্টমসের এই নথি গুলো ধ্বংস করা হয়।বছরের শুরুতে বারান্দা গুলোতে পড়ে থাকতো এসব নথি পত্র গুলো।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












