বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি»
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের হালিয়াপাড়াস্থ সমুদ্র সৈকতেপর্যটকদের সুবিধার্থে নির্মিত কটেজ, যাতায়াত রাস্তা প্রশস্থ করন, খেলার মাঠ, বিশ্রামাগার, শৌচাগার, ও সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ সহ বিভিন্ন স্থাপনার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ সময় উপকূলীয় বন বিভাগ বাঁশখালী রেঞ্জ রত্নপুর বিটের উদ্যোগে বঙ্গোপসাগরে জেগে উঠা নতুন চরসহ উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বসতবাড়ী বনায়ন২০২১ উপলক্ষে ইউনিয়নের ২৫০টি পরিবারের নিকট ২০টি করে পাঁচ হাজার ফলজ ও বনজ গাছও বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ই নভেম্বর) বাঁশখালী হালিয়াপাড়া সমুদ্র সৈকতে পর্যটক সুবিধার্থে নির্মিত স্থাপনা উদ্বোধন ও ফলজ-বনজ চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে কাথরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী, শুভ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাজহারুল ইসলাম।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী থানায় পরিদর্শক (তদন্ত) ওসি আজিজুল ইসলাম, বাঁশখালী উপকূলীয় রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, কাথরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পংকজ দত্ত, এড. মিজানুর রহমান, এড. আলী ইসলাম মুন্না, আজিজুল ইসলাম, মোঃ নুরুল আনোয়ার, মোঃ শাহাজান সহ প্রমুখ।
এ বিষয়ে কাথরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজান চৌধুরী বলেন, আমি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অবহেলিত গ্রামগুলোর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সুবিধার্থে এবং বাঁশখালী তথা হালিয়া পাড়া সমুদ্র সৈকত কে পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলতে সরকারী বিভিন্ন প্রকল্প ও নিজস্ব অর্থায়নে কটেজ, যাতায়াত রাস্তা প্রশস্থ করন, ফুটবল খেলার মাঠ, বিশ্রামাগার, শৌচাগার, ও সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপ সহ স্থাপনা নির্মাণ করেছি। আশাকরি এই পর্যটক খাতের মাধ্যমে আমাদের এলাকার মান উন্নয়ন অনেকখানি বাড়বে।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত কে পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলতে কাথরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাজান চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতায় আগত পর্যটকদের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আশা করি এই স্থাপনাগুলো নির্মাণের ফলে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষনীয় হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












