২৬ মার্চ ২০২৬

ভোট ডাকাতি করে দেবরকে চেয়াররম্যান বানালেন আ.লীগ নেত্রী!

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»

কক্সবাজারে রামু উপজেলায় জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করে নৌকার প্রার্থী  কামাল শামশুদ্দিন প্রিন্সকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউনিয়নের মোটর সাইকেল প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী ও আওয়ামীলীগ নেতা আবছার কামাল সিকদার।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে জোয়ারিয়ানালায় তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনও প্রতিবাদ সভায় আবছার কামাল সিকদার দাবি করেন, গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সাম্পাদক নাজনীন সরওয়া কাবেরী প্রকাশ্যে ভোট ডাকাতির পর প্রশাসনকে চাপ প্রয়োগ করে দেবর প্রিন্সকে জয়ী ঘোষণা করিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভোটের দিন ৬কেন্দ্রের ফলাফল ভোট কেন্দ্রের ঘোষনা করা হয়। এতে তিনি (আবছার) নৌকার প্রার্থীর থেকে প্রায় আড়াই হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তুু তার ভোট ব্যাংক খ্যাত ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না করে ভোটের বাক্স রামু উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেসব কেন্দ্রের মেম্বার প্রার্থীদের ফলাফল সন্ধ্যা ৬টা-সাড়ে ৬টার দিকে ঘোষণা হলেও রাত ১০টার পর আমাকেসহ এজেন্ডদের একটি কক্ষে বন্দী রেখে নৌকার প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

তার অভিযোগ, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক  নাজনীন সরওয়ার কাবেরী ভোট ডাকাতির  নেতৃত্ব দিয়েছেন আর ফলাফল পাল্টানোর ব্যবস্থা করেছেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও প্রনয় চাকমা।

আওয়ামীলীগ নেত্রী নাজনীন সরওয়ার  কাবেরী রামু সদর আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল ও রামু উপজেলা চেয়ারম্যান এবং  উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজলের ছোট বোন। নৌকার প্রার্থী কামাল শামশুদিন প্রার্থী  প্রিন্স  আওয়ামীলীগ নেত্রী কাবেরীর দেবর।

আবছার কামাল ১,২ ও ৬নং কেন্দ্রে ভোট পুনরায় গণনার দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে নাজনীন সরওয়ার কাবেরী বলেন, সবাই দেখেছে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। এখন তিনি পরাজিত হবার পর আমাকে এবং প্রশাসনকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করে বেড়াচ্ছেন।

একইভাবে অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও প্রণয় চাকমা।

বাংলাধারা/এফএস/এফএস

আরও পড়ুন