২৬ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে বাফা নেতার গেট পাস জালিয়াতি; দায় নেবে না বাফা

শাহ আবদুল্লাহ আল রাহাত »

বন্দরে গেট পাস জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডাস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) জেষ্ঠ্য সহ–সভাপতি অমিয় শংকর বর্মণের বিরুদ্ধে।

সংগঠনের প্যাডে এক ব্যক্তিকে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে বন্দর থেকে গেট পাসের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তবে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় ওই ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তার গেট পাস বাতিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়ার পরে জালিয়াতির ঘটনা বেরিয়ে আসে।

বন্দর ও বাফা সূত্র জানায়, বাফার তৎকালীন সহ–সভাপতি অমিয় শংকর বর্মণ (বর্তমানে জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি) মোহাম্মদ ইব্রাহিম আমানউল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে বাফার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেন। ইব্রাহিম আমান উল্লাহ তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। গত বছরের ২৮ জুন নিয়োগপত্রে বাফার প্যাডে নিজে সই করেন। এরপর বাফার জেষ্ঠ্য নির্বাহী শাখাওয়াত হোসেনকে এই নিয়োগপত্র দিয়ে বন্দর থেকে গেট পাস নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন। গেট পাস পাওয়ার পর ইব্রাহিম আমান উল্লাহ বন্দরে সংগঠনের বাইরে বিভিন্ন কাজে যুক্ত হন। প্রায় এক বছর ধরে এভাবে বন্দরের অভ্যন্তরে বাফার বাইরে বিভিন্ন কাজকর্মে যুক্ত থাকার পর বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের সন্দেহ হয় তাকে। পরে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ৯ আগস্ট তার গেট পাস বাতিল করে বন্দর।

এ ঘটনায় বাফার সভাপতি কবির আহমেদকে চিঠি দিয়ে এ ঘটনার ব্যাখ্যা চান বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক। বাফা তদন্ত করে এই ঘটনার জালিয়াতির প্রমাণ পায়। এ বিষয়ে বাফা থেকে অমিয় শংকর বর্মণের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেও তিনি এড়িয়ে যান। শেষ পর্যন্ত বুধবার (১ ডিসেম্বর) সংগঠনের সভাপতি কবির আহমেদ বন্দরের পরিচালককে (নিরাপত্তা) সংগঠনের তদন্তের বিষয় জানিয়ে চিঠি দিয়ে জানায়— এই দায় বাফা নেবে না। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও বাফার আপত্তি নেই বলে জানানো হয়।

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন