১৭ মার্চ ২০২৬

দেশের প্রথম টেস্ট অনার্স বোর্ড যুক্ত হলো এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে

ক্রীড়া প্রতিবেদক »

বন্দর নগরীর প্রথম আন্তজার্তিক ভেন্যুর নাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। দেশের প্রথম টেস্ট জয়সহ বহু স্মৃতি নিয়ে চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িতে দাঁড়িয়ে আছে স্টেডিয়াম।

২০০১ সালে ১৫ নভেম্বর দেশের দ্বিতীয় টেস্ট এবং ৮২ তম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে যাত্রা শুরু করে এম আজিজ স্টেডিয়াম। ১৯৮৮ সালে ২৭ অক্টোবর প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো এই মাঠে। তবে টেস্ট ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ২০ বছর পর দেশের প্রথম অনার্স বোর্ড যুক্ত করা এই স্টেডিয়ামে।

বাংলাদেশ পাকিস্তান টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন সময়ে স্টেডিয়ামে অনার্স বোর্ডটি বিসিবির পরিচালক এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাসির উদ্দিনের কাছে তুলে চট্টগ্রামের ক্রীড়া সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। মূলত এই ক্রীড়া সাংবাদিকদের উদ্যোগে এই অর্নাস বোর্ড তৈরী করা হয়। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে টেস্ট ভেন্যুর দুই দশকপূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ব্যতিক্রমী এক উপহার দিয়েছেন ক্রীড়া সাংবাদিক শামীম চৌধুরী।

২০০৫ সালের ১০ জানুয়ারির পর থেকে এই ভেন্যুতে আর আইসিসির স্বীকৃত আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে না এম আজিজ স্টেডিয়ামে। মোট ৮ টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো এই মাঠে। বন্দরনগরীতে দ্বিতীয় টেস্ট ভেন্যু হিসেবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে গুরুত্ব কমে গেছে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের। এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে হয়ে যাওয়া ৮টি টেস্টে ১২টি সেঞ্চুরি এবং ৯টি ৫ উইকেটের ইনিংসের কীর্তিমানদের রের্কড অনার্স বোর্ডে উঠিয়ে এনেছেন এই ক্রীড়া সাংবাদিক।

বাংলাদেশের জয়ের সাক্ষী হয়ে আছে এই এম এ আজিজ স্টেডিয়াম। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই মাঠে প্রথম টেস্ট জয় পায় বাংলাদেশ। বিশ্ব টেস্ট ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ আশরাফুল এর দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সাক্ষী এই স্টেডিয়াম।এছাড়া সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে এই এম আজিজ স্টেডিয়ামে টেস্টে ইনিংসে ৫ উইকেটে ইতিহাস রচনা করেছেন এনামুল হক জুনিয়র।আরো নানা কৃতিত্বের স্মৃতি নিয়ে এম আজিজ স্টেডিয়ামে দেখা যাবে এই অর্নাস বোর্ডে।

বাংলাধারা/এসএএআর

আরও পড়ুন