ইশতিয়াক চৌধুরী »
ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ কেটে গেছে। বর্তমানে লঘুচাপের প্রভাবে ভোর থেকে কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি, আবার কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। একদিকে বৃষ্টি, অন্যদিকে হিমশীতল বাতাসে নাকাল নগরবাসী।
বৃষ্টির মধ্যেই সাধারণ মানুষকে গরম কাপড় গায়ে চেপে বেরুতে হচ্ছে বাইরে। চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতাও। রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে যানজট। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধরণ শিক্ষার্থী, কর্মজীবীসহ বিভিন্ন কাজে ঘর থেকে বের হওয়া মনুষ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। চট্টগ্রামে সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ মিলিলিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর এখন উত্তাল। এ কারণে দেশের সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গপোসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
আগামীকাল থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকার আকাশ পরিষ্কার হতে থাকবে। ফলে তাপমাত্রা কমে গিয়ে শীত বাড়তে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এমনটা বলা হয়েছে।












