খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি »
খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন ডা. নুপুর কান্তি দাশ বলেছেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা এবং রাতকানা রোগের প্রাদূর্ভাব এক শতাংশের নিচে কমিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখতে সাহায্য করে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে হবে।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যম্পেইন সফলের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন অফিস-এর উদ্যোগে খাগড়াছড়ি প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
‘ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান’ এই শ্লোগানকে ধারণ করে জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন (প্রথম রাউন্ড) কর্মসূচী আগামী ১১ডিসেম্বর (রোববার) থেকে শুরু ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইপিআই কেন্দ্র সমূহে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৪ দিনব্যাপী ইপিআই কেন্দ্রে জেলার ৩৮টি ইউনিয়নের ১১৪টি ওয়ার্ডে।
এই কর্মসূচী বাস্তবায়নে আজ মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে দিকে খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্লাইড প্রদর্শন করেন সিভিল সার্জন অফিসের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মিল্টন চাকমা।
এসময় সাংবাদিকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি জীতেন বড়ুয়া, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক আবু তাহের মুহাম্মদ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদ্বীপ চৌধুরী, সাংবাদিক মো. জহুরুল আলম, সাংবাদিক কানন আচার্য্য,সাংবাদিক রিপন সরকার, মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন ডা. নুপুর কান্তি ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য সাংবাদিকদের কাছে উপস্থাপন করেন। এসময় তিনি বলেন, খাগড়াছড়ি জেলায় এ বছর মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৪১৩টি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদেরকে ১৫ হাজার ৩০টি ভিটামিন ‘এ’ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১ লাখ ৩৮৩টি ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে।
খাগড়াছড়ি জেলার মোট ১২৯ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ইউনিয়ন সাব সেন্টার ১১টি কমিনিউটি ক্লিনিক ৯৭টি ইউনিয়ন স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ২১টি স্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এছাড়া এ কর্মসূচীতে খাগড়াছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগের টিকাদান কর্মী ৯২২ জন সেচ্ছাসেবক ১৮৭২ জন টিকাদানের কাজ করবেন বলে জানান খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন ডা. নুপুর কান্তি দাশ।












